রাজশাহীতে হযরত শাহ্ মখদুম (র) নামে পরিপূর্ণভাবে গেট নির্মানের আহব্বান

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২০; সময়: ৭:১৫ অপরাহ্ণ |
রাজশাহীতে হযরত শাহ্ মখদুম (র) নামে পরিপূর্ণভাবে গেট নির্মানের আহব্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে হযরত শাহ্ মখদুম রুপোশ (র) নামে নির্মানীধীন গেইটের উপরে হযরত শাহ্ মখদুম রুপোশ (র) পবিত্র নাম ফলক সংযোজন ও অন্যান করনীয় বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন আধ্যাত্নিক দরবার সমূহের সম্মতিক্রমে এক প্রতিনিধিত্ব মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার এ সভায় হযরত শাহ্ মখদুম রুপোশ (র) এর বিভিন্ন পর্যায়ের ভক্তবৃন্দের পক্ষে থেকে কয়েকটি দাবী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এসময় ৫টি দাবি উপস্থাপন করেন হযরত শাহ্ মখদুম রুপোম (র) একান্ত ভক্তজন সোহাগ মাখদুমী।

দাবীসমূহর মধ্যে ১. হযরত শাহ্ মখদুম রুপোশ (রা) দরগাহ চত্বরে নির্মাণাধীন গেইটের উপরে বড় বড় অক্ষরে আলোকিত পরিমন্ডলে হযরত শাহ্ মখদুম রুপোশ (র) এর পবিত্র নাম ফলক সংযোজন করতে হবে। ২. সেই নামফলকে সার্বক্ষণিক আলোকজ্জল রাখতে যুগোপযোগী আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৩. দরগাহ চত্ত্বরের ভিতর-বাহির পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি ফুলের বাগন নির্মাণ করেতে হবে। ৪. স্থায়ী মুসাফির খানা নির্মাণ করতে হবে। ৫. মুসাফির খানায় অবস্থানরত মুসাফিরদের জন্য প্রতিরাতের খাবার সুনিশ্চিত করতে হবে। শনিবার সকালে রাজশাহীতে হযরত শাহ্ মখদুম (র) দরবারে সাধারণ ভক্তবৃন্দের পক্ষে ড. হাসান রাজা সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, আলোচনা সভায় সাধারণ ভক্তবৃন্দের পক্ষ থেকে পৃথিবী জুড়ে নবী (স) পরবর্তী আল্লাহর দ্বীন ইসলামের প্রচার প্রসারে আল্লাহর বন্ধু হিসেবে জীবন উৎসর্গকারী আলী আল্লাহগণের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। প্রায় ৮০০ বছর আগে পূর্বের মহাকাল গড় তথা আজকের রাজশাহী অঞ্চলের প্রথম ইসলাম প্রচারক হযরত শাহ্ তুরকান (র) ও হযরত শাহ্ মখদুম রুপোশ (র) প্রকৃত মুহাম্মদী ইসলাম প্রচারে যে ত্যাগ স্বীকার করেন তার কোন তুলনা হয় না।

সেই পবিত্র ধর্ম প্রচারের স্মারক স্বরুপ হযরত সৈয়দ আব্দুল কুদ্দুস ওরফে হযরত শাহ্ মুখদুম রুপোশ (র) দরবার প্রাঙ্গণে ৮০০ বছর পর যে গেইটি নির্মান হচ্ছে তার সাথে উপরে উল্লিখিত বিষয়গুলো যাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমলে নিয়ে হযরত শাহ্ মখদুম রুপোশ (র) অসামান্য ত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরুপ পরিপূর্ণভাবে গেইটটি নির্মান করেন সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে একযোগে কাজকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়ে সভ শেষে করেন লেখক ও গবেষক ড. হাসান রাজা।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে