রাজশাহীতে চাকরি দেয়ার নামে ৩১ লাখ টাকা হাতিয়েছে প্রতারণা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২০; সময়: ১০:৩৪ অপরাহ্ণ |

নিজস্ব প্রতিবেদক : পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে চাকরী দেয়ার নামে এক ছাত্রের কাছে থেকে একত্রিশ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে রাজশাহীর ফারুক হোসেন নামের এক ‘প্রতারক’। টাকা চাওয়ায় টাকা তো দুরের কথা ওই ছাত্রকে অব্যাহত হুমকি-ধামকি দিচ্ছে ওই প্রতারক। এব্যাপারে এ্যাডভোকেটের মাধ্যমে টাকা ফেরতের জন্য নোটিশ পাঠিয়েছেন ভূক্তভোগি ওই ছাত্র।

প্রতারণার শিকার ওই ছাত্রের নাম মাসুদ রানা। তিনি রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ধাদাশ গ্রামের মখলেসুর রহমানের ছেলে। আর প্রতারক ফারুক হোসেন পবন বেলপুকুর থানা এলাকার মাহেদ্রা কোনাপাড়ার মৃত সাদেক আলীর ছেলে। পবন অস্থায়ীভাবে জেলার মতিহার থানার সাকোপাড়া বৌ-বাজারে কয়েন উদ্দিনের বাড়ী ভাড়ায় থাকেন।

এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে টাকা ফেরতের জন্য আপোষ-মীমাংসায় বসতে টালবাহানা করতে থাকে। এরই ফাঁকে ফারুক হোসেন পবন ভাড়া ছেড়ে পালিয়ে যায়। তার প্রতারণা ও মিথ্যা ষড়যন্ত্রে ক্ষিপ্ত থাকার বিষয়ে আইনের আশ্রয় নিয়ে রাজশাহী জর্জ কোর্টের আইনজীবি এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলমের মাধ্যমে দুইটি পৃথক লিগ্যাল নোটিস পাঠানো হয়।

মাসুদ রানা জানান, চাকুরী দেয়ার নাম করে ও বিভিন্ন অজুহাতে দুই বছর আগে দু’টি চেকের একটির বিপরীতে এক লাখ এবং অন্যটির বিপরীতে ত্রিশ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। চেক দুইটির নম্বর যথাক্রমে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মুদারাবা সঞ্চয়ী হিসাব নং ১০৪১১-এর ২৪৭৪১৮১ ও ২৪৭৪১৮২।

এদিকে দীর্ঘদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরে ফারুক হোসেন পবনের কাছে টাকা ফেরত চান মাসুদ রানা। কিন্তু টাকা ফেরত না দিয়ে কালক্ষেপন করতে থাকেন সে। এরপর সে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। ফরুক হোসেন পবনের দেয়া চেক দুইটি নিয়ে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারী মাসুদ রানা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের নগদায়ন করতে যান। কিন্তু ফাুরক হোসেন পবনের একাউন্টে টাকা নেই বলে সার্টিফিকেট দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এরপর মাসুদ রানা এ্যাডভোটের মাধ্যমে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন। এব্যাপারে অভিযুক্ত ফারুক হোসেন পবনের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে