ই-পাসপোর্টের কার্যক্রমে ধীর গতি, ব্যাপক সাড়া অনলাইন আবেদনে

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২০; সময়: ৪:৪৭ অপরাহ্ণ |
খবর > জাতীয়
ই-পাসপোর্টের কার্যক্রমে ধীর গতি, ব্যাপক সাড়া অনলাইন আবেদনে

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : অবকাঠামোগত স্বল্পতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ধীর গতিতে এগুচ্ছে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম। শুরুতেই অনলাইন আবেদনে ব্যাপক সাড়া মিলছে আগ্রহীদের। তথ্যের ঘাটতি থাকায় পাসপোর্ট অফিসে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে অনেককে। তবে আবেদনের পর বায়োমেট্রিক পদ্ধতি শেষ করতে পেরে খুশি আবেদনকারীরা।

২২ জানুয়ারি থেকে প্রথম ৬ দিনে ই-পাসপোর্টরে জন্য আবেদন করেছেন প্রায় ৬ হাজার প্রার্থী। নতুন পদ্ধতি, অবকাঠামোগত ঘাটতি ও নিরাপত্তা বিবেচনায় ধীরগতি অবলম্বন করা হচ্ছে। এসব আবেদনকারীর বায়োমেট্রিক করতে মার্চ মাস পার হতে পারে।

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ বলেন, নতুন মেশিন যেহেতু পুরা সময়টা স্থিতিশীল পর্যায়ে আসার জন্য ছিুটা সময় লাগবে। যেহেতু এমআরপি আর ই-পাসপোর্ট পাশাপাশি চলমান সেহেতু দুটোর মধ্যে একটা সমতা আনার চেষ্টা করছি।

ই-পাসপোর্ট ডট গভ ডট বিডি সাইটে ফরম পূরণের পর নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে ব্যাংকে। এমআরপির টাকা যেসব ব্যাংকে দেয়া যেতো ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও ওই ব্যাংকই প্রযোজ্য। ফি দেয়া যাবে অনলাইনেও। পরে কর্তৃপক্ষের দেয়া তারিখে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট শেষ করতে হবে। ৪৮ ও ৬৪ পাতার পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সাধারণ, জরুরি, অতি জরুরি ভেদে ফির তারতম্য রয়েছে।

নির্ধারিত তারিখের আগেই বায়োমেট্রিক করতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেকে। আবার কারো জরুরি প্রয়োজন থাকায় ই-পাসপোর্টের আবেদন করেও ফিরতে হচ্ছে এমআরপিতে।

ই-পাসপোর্ট করতে আসা একজন বলেন, ই-পাসপোর্টের টাকা জমা দিয়েছি। কিন্তু ই-পাসপোর্ট হচ্ছে না তাই এমআরপিতে করতে এসেছি।

এরই মধ্যে ই-পাসপোর্ট যাত্রীদের জন্য শাহজালাল বিমানমন্দরে ৯টি ই-গেট বসানো হয়েছে। যার মাধ্যমে ৪০ শতাংশ কাজ সহজ হয়ে যাবে বলে মনে করেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক তৌহিদ উল আহসান বলেন, গেইটগুলো পুরাপুরিই রেডি। শুধু ইমিগ্রেশনের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশন করতে হবে সেটা বাকি আছে। সেটা করলেই এ গেইটগুলো অপারেশনাল হয়ে যাবে।

দৈনিক ১০০ জনের বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হচ্ছে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে। প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে খুশি পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা।

ই-পাসপোর্টের জন্য আসা একজন বলেন, অত্যন্ত সুন্দরভাবে ই-পাসপোর্টের প্রসেসগুলো সম্পন্ন করেছি। এতে আমার কোনো বেগ পেতে হয়নি। অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গেই আমার সব কার্যক্রম শেষ করতে পেরেছি।২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর সবার জন্য উম্মুক্ত করা হয় ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে