বাঘায় র‌্যাবের অভিযানে বাঘায় আত্মসাৎকৃত ১৬ লক্ষ টাকাসহ আত্মসাৎকারী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৪; সময়: ৬:৫৫ অপরাহ্ণ |
বাঘায় র‌্যাবের অভিযানে বাঘায় আত্মসাৎকৃত ১৬ লক্ষ টাকাসহ আত্মসাৎকারী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর বাঘা র‌্যাবের অভিযানে অর্থ আত্মসাৎকৃত ১৬ লক্ষ টাকাসহ আত্মসাৎকারী মোঃ আব্দুল মালেক (৩৯) কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫। ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বাঘা থানার পাকুড়িয়া নামক এলাকায় অপারেশন পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আব্দুল মালেক বাঘা উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামের আব্দুল কাদের কক্সের ছেলে।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সদর থানার মামলা নং-১০, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ইং। ধারা- ৪০৮/৪২০ পেনাল কোড এর এজাহার নামীয় একমাত্র পলাতক আসামী মোঃ আব্দুল মালেক (৩৯)। র্দীঘদিন যাবত তিনি পলাতক ছিলেন।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিএসসি, মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল জানতে পারে যে, মামলার এজাহারনামীয় ১ নং পলাতক আসামী মোঃ আব্দুল মালেক (৩৯) আত্মসাৎকৃত টাকাসহ তার নিজ বাড়ীতে অবস্থান করছে। বিষয়টি জানা মাত্রই আটককৃত ব্যক্তির বসতবাড়ীতে পৌছে উক্ত আসামীকে গ্রেফতার করে এবং তার বাড়ী তল্লাশী করে নিজ শয়ন কক্ষে থাকা বাক্সের ভিতর হতে আত্মসাৎকৃত টাকা মোট ১৬,০০,০০০/-(ষোল লক্ষ টাকা) উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা।

আটককৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন চাষাড়া ১৪৫ বিবি রোডস্থ মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিস লিঃ এর কেয়ারটেকার হিসাবে প্রায় ১২ বছর যাবত কর্মরত ছিল। সে প্রতিষ্ঠানটি দেখাশুনা করার পাশাপাশি রাত ৭ টার সময় ম্যানেজার ডিউটি শেষে চলে যাওয়ার সময় সমস্ত হিসাব এবং নগদ টাকা উক্ত আসামীকে বুঝাইয়া দিতো এবং পরের দিন সকাল ১০ টার সময় এ্যাডমিন ম্যানেজার অফিসে আসলে তার নিকট বুঝায়ে দিতো।

দীর্ঘ ১২ বছর যাবত বিবাদী বিশ্বস্ততার সহিত তাহার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে আসছে। গত ইং ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখ সকাল অনুমান ১০ টার দিকে প্রতিষ্ঠানের এ্যাডমিন ম্যানেজার মোঃ সাইফুল ইসলাম ছুটিতে যাওয়ার পর উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিদিনের হিসাবের সমস্ত টাকা এ্যাডমিন ম্যানেজার এর অনুমতি সাপেক্ষ্যে ক্যাশ হতে বুঝে নিয়ে নিজের কাছে রাখতো। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ভাড়া ও কর্মচারীদের বেতন দিবে বিধায় তার নিকট হতে টাকা বুঝিয়ে নেওয়া হয় নাই। গত ইং ২৯ জানুয়ারি ৬,৪০,৩০৯/-টাকা, গত ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি ৬,৬৩,৭৫২/-টাকা এবং ২০২৪ সালে ৩১ জানুয়ারি তারিখের ৬,৮৬,৮৫৪/-টাকা সর্বমোট ১৯,৯০,৯১৫/-(উনিশ লক্ষ নব্বই হাজার নয়শত পনেরো) টাকা জমা হয়। ২০২৪ সালে ১ ফেব্রুয়ারি সকাল অনুমান ১০ টার দিকে প্রতিষ্ঠানের জিএম হেমায়েত হোসেন হিমেল (৪৮) আসামীর নিকট হতে টাকা বুঝায়ে নেওয়ার জন্য তাকে খোঁজাখুজি করলে বিবাদীকে খোঁজে পাওয়া যায় নাই। আসামীর ব্যবহৃত ফোন নম্বরে ফোন করলে নম্বরটি বন্ধ দেখায়। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরা চেক করে দেখা যায় যে, গত ইং ১ ফেব্রুয়ারি রাত অনুমানিক ১ টার দিকে আসামী একটি ব্যাগে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে উক্ত অর্থ অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ করে উক্ত প্রতিষ্ঠান হতে বাহির হয়ে যায়। উক্ত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে