যা জানা গেছে মস্কোর কনসার্টে গুলিবর্ষণের বিষয়ে

প্রকাশিত: মার্চ ২৩, ২০২৪; সময়: ৩:২০ অপরাহ্ণ |
যা জানা গেছে মস্কোর কনসার্টে গুলিবর্ষণের বিষয়ে

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : মস্কোর উপশহর ক্রাসনোগর্স্কের ক্রোকাস সিটি হল একটি বিশিষ্ট কনাসার্ট ভ্যেনু। এখানেই প্রায় ২০ বছরের মধ্যে রাশিয়ায় হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলায় অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন।

নির্বিচার গুলিবর্ষণের এই ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তদন্তকারীরা রাতভর কাজ করেছেন। তারা বন্দুকধারীদের ফেলে যাওয়া পরিত্যক্ত অস্ত্র ও গোলাগুলি খুঁজে পেয়েছেন।

বিবিসি জানিয়েছে, শেষ খবর পর্যন্ত রাশিয়ার কর্মকর্তারা হামলাকারীরা কারা বা তারা কোথায় আছে, সে সম্পর্কে তেমন কিছু বলেনি। শুক্রবার রাতেই ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে এবং পুলিশ তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) একটি শাখা বলেছে, তারা হামলাটি চালিয়েছে। কিন্তু মস্কো তাদের এ দাবির বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

মস্কো ও রাশিয়ার অন্য শহরগুলোতে শনিবার ভোরে ইলেকট্রনিক বিলবোর্ডগুলোতে জ্বলন্ত একটি মোমবাতি ও নিচে ‘আমরা শোক জানাই’ লেখা দেখা গেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্রোকাস সিটি হলে ‘পিকনিক’ ব্যান্ডের কনাসর্ট শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা উপস্থিত দর্শকদের লক্ষ্য করে নির্বিচার গুলিবর্ষণ করে।

রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি)কে উদ্ধৃত করে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, গুলিবর্ষণে ৬০ জনেরও বেশি নিহত এবং ১৪৫ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।

হামলায় পাঁচজন বন্দুকধারী অংশ নিয়েছে বলে বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে।

রাশিয়ার তদন্তকারী আইন কর্মকর্তারা ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে অভিহিত করেছে। এ ঘটনায় একটি ফৌজদারি দায়ের করে তারা তদন্ত শুরু করেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

ক্রোকাস সিটি হলের বাইরে একজন প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সের সাংবাদিককে বলেছেন, বন্দুকধারীরা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করেছে।

রাশিয়ার গণমাধ্যমগুলোতে আসা ভিডিওগুলোতে ক্রোকাস সিটি হলে আগুন জ্বলতে এবং সেখানে থেকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।

বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, ভেতরে অনেকে রয়ে গিয়েছিল আর পুরো ভবনটিকে আগুন গ্রাস করে নিয়েছিল, অনেকে ছাদেও আটকা পড়েছিল। রাশিয়ার ন্যাশনাল গার্ডের বিশেষ ইউনিটগুলো, পুলিশ ও দমকল কর্মীরা ঘটনা স্থলে আছে।

শনি ও রোববার মস্কোজুড়ে সব বড় ধরনের জমায়েত বাতিল করেছেন নগরীর মেয়র।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে