প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে নগর আ.লীগের সভা ও দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২৪; সময়: ৯:২৫ অপরাহ্ণ |
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে নগর আ.লীগের সভা ও দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমারপাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি ডা. তবিবুর রহমান শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আসলাম সরকার, দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম বুলবুল, সদস্য হাবিবুর রহমান বাবু, আতিকুর রহমান কালু, নগর শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক আকতার আলী, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল মোমিন, নগর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ডা: সিরাজুম মুবিন সবুজ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ হীল গালিব।

সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের কাছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। সে সময় তাঁর দুই কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় তাঁরা প্রাণে বেঁচে যায়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের আজকের এই দিনে দেশরত্ন শেখ হাসিনা নানা প্রতিকুলতা উপেক্ষা করে জীবনের ঝুকি নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন। দেশে এসে জননেত্রী শেখ হাসিনা যে চ্যালেঞ্জ গ্রহন করেছিলেন, সেই চ্যালেঞ্জেই বাংলাদেশের ভাগ্য পাল্টে যায়। পঁচাত্তরের ঐ ঘৃনিত ঘটনা যদি না হতো, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি আরও বেশী বছর বেঁচে থাকতেন তবে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নত দেশে পরিনত হতো। আজ তাঁরই কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতার শক্তিকে একত্রিত করতে ও দেশের মানুষের চাহিদা মেটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বক্তারা আরো বলেন, এরশাদ সরকারের সময়ও সেনাশাসনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে বাধা দেওয়া হয়েছিলো। ১৯৮৭ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গুলি করে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিলো। কিন্তু আল্লাহর রহমতে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। অতঃপর সকল বাধা অতিক্রম করে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতায় আসে। প্রধানমন্ত্রী হন জননেত্রী শেখ হাসিনা। সেই সময় তিনি দেখিয়েছিলেন দেশ পরিচালানোর অভিনব দক্ষতা। দ্বিতীয় দফায় দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ তিনি সফলতার সাথে দেশ পরিচালনা করছেন। সকল পরিসংখ্যানে দেশের অনেক উন্নতি হয়েছে। দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাঁকে সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু দান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, প্রচার সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মুসাব্বিরুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জিয়া হাসান আজাদ হিমেল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শ্যাম দত্ত, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ওমর শরীফ রাজিব, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ ফ ম আ জাহিদ, সদস্য মোশফিকুর রহমান হাসনাত, শাহাব উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: আব্দুল মান্নান, হাফিজুর রহমান বাবু, আব্দুস সালাম, বাদশা শেখ, ইউনুস আলী, মোখলেশুর রহমান কচি, এ্যাড. রাশেদ-উন-নবী আহসান, থানা আওয়ামী লীগের মধ্যে বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানার সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, শাহ মখদুম থানার সাধারণ সম্পাদক শাহাদত আলী শাহু, মতিহার থানার সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, নগর শ্রমিক লীগ সভাপতি মাহাবুবুল আলম, নগর কৃষক লীগ সভাপতি রহমতউল্লাহ সেলিম, নগর তাঁতী লীগ সভাপতি আনিসুর রহমান আনার, সাধারণ সম্পাদক মোকসেদ-উল-আলম সুমন প্রমুখ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে