বাগমারায় আইনজীবীকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার, থানায় জিডি

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৪; সময়: ৪:০০ অপরাহ্ণ |
বাগমারায় আইনজীবীকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন উজ্জ্বলকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে গত ৩০ মে রাজশাহীর বাগমারা থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) দায়ের করেছেন জালাল উদ্দিন উজ্জল। তবে এখনো অপপ্রচারকারিদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

জিডিতে এ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন উজ্জল অভিযোগ করেছেন, রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের রামগুইয়া গ্রামের মৃত ইয়ার আলী ছেলের আব্দুল কুদ্দুস এর “kudds khun kudds khun নামে একটি ফেসবুক আইডি রয়েছে। গত ১৯ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ওই ফেসবুক আইডিতে তাকে (উজ্জল) কুখ্যাত সন্ত্রাসী, ভূমি দস্যু, জালিম, অত্যাচারী ও মাফিয়া ডন নামে আখ্যায়িত করে পোস্ট দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে আমাদের বাড়ির মহিলাদের গৃহস্থলী কাজ-কর্মের ভিডিও ধারণ করে একাধিক পোষ্ট ও শেয়ার দেওয়া হয় ওই ফেসবুকে। এই পোষ্টগুলা দেখে আমি ভীষণ মর্মাহত এবং আমার পরিবার বিষয়টি নিয়ে খুবই বিব্রত।

জালাল উদ্দিন উজ্জল বলেন, আমি বা আমার পরিবার রাষ্ট্রবিরোধী কোন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত নেই বা আমাদের নামে কোন জিডি বা ফৌজদারী মামলাও নেই। এছাড়া আমি একজন আইনজীবী এবং এর পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাগত ভাবে এলাকায় আমার যথেষ্ট সুনাম, খ্যাতি ও মান-মর্যাদা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমার এবং পারিবারিক সুনান ক্ষুন্ন করার জন্য ফেসবুক আইডির স্বত্তাধিকারী আব্দুল কুদ্দুস সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সামাজিক, পারিবারিক, রাজনৈতিক ও জমা-জমির সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতা জেরধরে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাতে ফেসবুকে পোষ্ট ও শেয়ার দিয়েছে। এ বিষয়টি আমার নজরে আসলে গত ৩০ মে বাগমারা থানায় সাধারন ডাইরি করি। যাহার জিডি নং ১৪১৮।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও আব্দুল কুদ্দুসকে পাওয়া যাযনি। তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে বাগমারা থানার ওসি অরবিন্দ সরকার বলেন, জিডির তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তি সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে