আলোচনায় সাকিবের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৪; সময়: ১:১১ অপরাহ্ণ |
আলোচনায় সাকিবের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার

পদ্মাটাইমস ডেস্ক :  ১৮ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এমন দিন খুব কমই এসেছে সাকিব আল হাসানের। বোলিংয়ে এক ওভার করেছিলেন উইকেটশূন্য; ব্যাটিংয়ে মাত্র ৩ রান করে নিজের উইকেট দিয়েছেন উপহার। দলের হারের পর ব্যাপক সমালোচনায় বিদ্ধ বাঁহাতি অলরাউন্ডার। যদিও পক্ষেও কথা বলেছেন অনেকে। তবে সাকিবের কঠোর সমালোচনা করে তার অবসরের দাবি জানিয়ে ভবিষ্যতে যেন দলেও না রাখা হয়- সেসব নিয়ে কথা বলেছেন ভারতের সাবেক ওপেনার বীরেন্দর শেবাগ। তবে বাংলাদেশের সাবেক স্পিনার ও জাতীয় দলের নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক বলছেন, মুখ আছে বলেই একটা মন্তব্য করে দেওয়া যায়। শেবাগের মনগড়া কথাকে গুরুত্ব দিতে চাচ্ছেন না তিনি।

শ্রীলঙ্কার পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও উইকেটশূন্য ছিলেন সাকিব। ব্যাটিংয়েও দলের প্রয়োজনে রান করতে ব্যর্থ হয়েছেন। দুবারই তার শর্ট বলে দুর্বলতা ফুটে উঠেছে। তবে মাঠের ফিল্ডিং থেকে শুরু করে সতীর্থদের পরামর্শ দেওয়া—সবকিছুতেই অ্যাকটিভ ছিলেন তিনি। কিন্তু ম্যাচ হারের পর সেসব আর আলোচনায় নেই। একমাত্র আলোচনায় তার ব্যাটিং ও বোলিং।

ক্রিকবাজের এক আলোচনায় শেবাগ বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ায় হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরই অবসর নেওয়া উচিত ছিল সাকিবের, ‘গত বিশ্বকাপেই আমার এমন মনে হয়েছে, ওকে আর টি-টোয়েন্টিতে খেলানো উচিত নয়। অনেক আগেই ওর অবসর নেওয়ার সময় হয়েছে। তুমি (সাকিব) এত সিনিয়র ক্রিকেটার, নিজে অধিনায়ক ছিলে, তোমার পরিসংখ্যানের অবস্থা এমন- সাকিবের নিজেরই তো লজ্জা পাওয়া উচিত। নিজেরই বলা উচিত, আমি এই সংস্করণ থেকে অবসর নিচ্ছি।’

সাকিব দলে থাকাকে বলা হয় একজন বাড়তি বোলার কিংবা ব্যাটার পাওয়া। কিন্তু নিউইয়র্কের উইকেটে নিজের সামর্থ্য দেখাতে পারেননি তিনি। এমনকি অভিজ্ঞতা দিয়েও দলের জন্য তেমন সুবিধা করতে পারেননি। শেবাগের প্রশ্ন এখানে, ‘অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বলেই যদি তাকে বিশ্বকাপে আনা হয়, তাহলে সেটা করে দেখাক। এই উইকেটে কিছু সময় তো দাও।’ একই সঙ্গে তরুণদের সুযোগ দিতে সাকিবকে যেন বাদ দেওয়া হয়, নির্বাচকদের প্রতি এমনও বার্তা দেন ভারতের এই ব্যাটার।

যদিও শেবাগের এমন মন্তব্যকে গুরুত্বই দিতে চান না জাতীয় দলের নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক। গতকাল এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘শেবাগ বলতেই পারে ওর মনগড়া কথা। শেবাগ তার কথা বলছে। ওর কথা নিয়ে যে আমাদের লাফাতে হবে, আর ও বললেই যে ওর কথা সঠিক-সেটা মনে করার কারণ নেই।’

অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটে সাকিব হতে পারেন বাংলাদেশের এক্স ফ্যাক্টর। ক্যারিবীয় দ্বীপে খেলার অভিজ্ঞতা তার অনেক। একই সঙ্গে সেখানকার কন্ডিশনও সাকিবের পক্ষে কথা বলার মতো। সব বিতর্ক পেছনে ফেলে তিনি কি গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে সরূপে ফিরতে পারবেন, সেটাই এখন দেখার সময়। তবে লম্বা ক্যারিয়ারে যতবারই বিতর্কিত হয়েছিলেন, ততবারই ব্যাটে-বলে জবাব দিয়েছিলেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার। এবার আরও একবার জবাব দেওয়ার সুযোগ এসেছে তার।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে