কাঁঠাল খেয়ে যেসব খাবার খাওয়া ঠিক নয়

প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৪; সময়: ১:৫০ অপরাহ্ণ |
কাঁঠাল খেয়ে যেসব খাবার খাওয়া ঠিক নয়

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : গ্রীষ্মকাল মানেই আম, কাঁঠাল ও লিচু খাওয়ার দিন। অনেকেই গরমে কাঁঠাল খেতে ভীষণ ভালোবাসেন। স্বাদে মিষ্টি এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, আয়রন ও পটাশিয়াম থাকে। এ কারণে কাঁঠাল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো।

তবে এমন কিছু খাবার আছে, যেসব খেয়ে কাঁঠাল খাওয়া ভুলেও ঠিক নয়। এতে পেটে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। শুধু তাই নয়, হজমেরও সমস্যা দেখা দেয়। কাঁঠাল খাওয়ার পর যেসব খাবার খাবেন না-

ঢেঁড়স-
কাঁঠাল খাওয়ার পর কখনই ঢেঁড়স খাওয়া ঠিক নয়। কাঁঠালের মধ্যে থাকা অক্সালেট ঢেঁড়সের সঙ্গে মিশে ফুসকুড়ি, ত্বক জ্বালাপোড়া হতে পারে।

পান-
কাঁঠাল খাওয়ার পর অনেকেই পান খান। তবে তার ফলে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি। কাঁঠালের মধ্যে থাকা অক্সালেট পানের সঙ্গে মিশে পেটে নানা ধরনের সমস্যা করতে পারে।

পেঁপে-
কাঁঠালের সঙ্গে পেঁপে খাওয়া ঠিক নয়। কারণ পেঁপেতে থাকা ক্যালসিয়াম আর কাঁঠালে থাকা অক্সালেট পেটে গিয়ে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে।

দুধ-
কাঁঠাল খাওয়ার পর দুধ খাওয়া ঠিক নয়। এতে বমি হতে পারে। অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে, হজমের সমস্যাও হতে পারে।

জাতীয় ফল খাওয়া যাদের বারণ:
গ্রীষ্মকালকে বলা হয় মধুমাস। ফলের মধ্যে প্রথম তালিকায় জাতীয় ফল কাঁঠালের নাম থাকে ওপরে। কাঁঠাল রসালো মৌসুমি ফল। এই ফলের পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। কিন্তু কিছু কিছু মানুষের কাঁঠাল খাওয়া উচিত নয়। কাঁঠালে রয়েছে হাই কার্ব। এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ও ফাইবার আছে কাঁঠালে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁঠাল অত্যন্ত উপকারী একটি ফল। এই ফলে নানা ধরনের খনিজ, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার রয়েছে। তাই নিয়মিত কাঁঠাল খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ ভালো। তবে জানলে অবাক হয়ে যাবেন, এই উপকারী কাঁঠালই অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে দেহে একাধিক সমস্যার উদ্রেক হয়। তাই এই ফল বেশি পরিমাণে না খাওয়াই বুদ্ধিমানের।

চলুন জেনে নিই কারা কারা ভুলেও কাঁঠাল খাবেন না-

ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের জন্য দুঃসংবাদ। এই ফলে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকায় দেহে চটজলদি সুগার লেভেল বেড়ে যায়। তাই কাঁঠালের প্রতি লোভ না দেখানোই ভালো ডায়াবেটিস রোগীদের।

এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা বলেন, একজন ডায়াবেটিস রোগী যদি দিনে পাকা কাঁঠালের তিন থেকে চারটি কোষ খান তাহলে ওই দিন অন্য কোনো মিষ্টি ফল খেতে পারবেন না। কেননা কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা পাচন প্রক্রিয়ার গতি কমিয়ে দেয়। ফলে আচমকা রক্তের শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় আশঙ্কা কমে।

পাশাপাশি যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাদের এই ফল এড়িয়ে চলাই ভালো। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে কাঁঠালের প্রতিক্রিয়ায় রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া কিডনি রোগীদের জন্য কাঁঠাল খাওয়া বারণ। কারণ কাঁঠাল রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে