পাবনার সুজানগরে প্রতিপক্ষের হামলায় আওয়ামী লীগ কর্মীর মৃত্যু

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৪; সময়: ৮:২৫ অপরাহ্ণ |
পাবনার সুজানগরে প্রতিপক্ষের হামলায় আওয়ামী লীগ কর্মীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনা : পাবনার সুজানগর উপজেলায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত চিকিৎসাধীন এক আওয়ামী লীগকর্মী মারা গেছেন। তার নাম মোজাহার বিশ্বাস (৫৪) । বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহত মোজাহার বিশ্বাস সুজানগর উপজেলার আমিনপুর থানার রানীনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাণীনগর এলাকার মৃত আছির উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। তিনি সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবের গ্রুপের কর্মী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুন রানীনগর এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীনের সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে আলামিন মিয়া (৩৫) নামে শাহীন গ্রুপের একজন নিহত হোন। এঘটনায় জেরে ওই এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। হামলায় মোজাহার বিশ্বাসসহ ওহাব গ্রুপের বেশ কয়েকজন আহত হন। মোজাহার বিশ্বাসের‌ অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন ৬ দিন পর আজ তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) রবিউল ইসলাম বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা গেছেন। ঢাকাতেই ময়নাতদন্তে হবে। মরদেহ আসার পর এবং থানায় লিখিত অভিযোগের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনার পরপরই এলাকার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এবিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব বলেন, আগে যে মারা গেছে সেও আমার কর্মী এখন যে মারা গেছেন সেও আমার কর্মী, তারা আওয়ামী লীগের কর্মী। আমি উভয় হত্যার বিচার চাই। পাশাপাশি যারা বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করেছে তাদের কঠোর শাস্তি চাই, যে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

এ বিষয়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহিন বলেন, যেদিন যুবলীগ নেতা আল আমিন হত্যা হয়, ঘটনার পরপরই সেদিন নিহতদের লোকজন সেই মুজাই বিশ্বাসের অবস্থান জানতে পেরে তাকে মারধর করে। সেই মারামারিতে মুজাই বিশ্বাস আহত হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডে যেই জড়িত থাক তার বিচার হওয়া উচিত। এখানে আমার লোক, অমুকের লোক বলে কোন কথা নেই।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে