পাবনায় কালের কন্ঠের সাংবাদিক প্রবীর সাহাকে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৪; সময়: ৮:৪১ অপরাহ্ণ |
পাবনায় কালের কন্ঠের সাংবাদিক প্রবীর সাহাকে মারধরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনা : পাবনায় এক  সাংবাদিককে জেলা পরিষদ সদস্য ও তার ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছে৷  সাংবাদিক প্রবীর কুমার সাহা কালের কন্ঠের পাবনা জেলা প্রতিনিধি৷ তাকে মারধর ও অপমান অবদস্থ করেছে পাবনা জেলা পরিষদ সদস্য নজরুল ইসলাম সোহেল ও তার ক্যাডার বাহিনী।

সোমবার (০১ জুলাই) দুপুরে পাবনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে ও তার বাইরে এই ঘটনা ঘটে।

সাংবাদিক প্রবীর সাহার অভিযোগ, পেশাগত দায়িত্ব পালনে দুপুরের দিকে জেলা পরিষদে যান তিনি। সেখানে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে দেখা করতে তার কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য নজরুল ইসলাম সোহেল। সাংবাদিক প্রবীর সাহা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে চান । এ সময়  পরিষদ সদস্য নজরুল ইসলাম সোহেল তার সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু করেন । তিনি হঠাৎ করেই রাগান্বিত স্বরে প্রবীর সাহাকে গালিগালাজ করেন এবং রুম থেকে বের হয়ে যতে বলেন৷  এক পর্যায়ে সাংবাদিক প্রবীর সাহাকে ধাক্কাতে ধাক্কাতে কক্ষের বাইরে নিয়ে যান। এ সময় চেঁচামেচি শুনে জেলা পরিষদে থাকা সোহেলের ক্যাডার বাহিনী এসে প্রবীর সাহাকে শার্টের কলার ধরে কিল ঘুষি মারতে থাকেন। পরে সেখানে থাকা জেলা পরিষদের কর্মচারীরা তাকে উদ্ধার করে নিরাপদে বাইরে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জেলা পরিষদ সদস্য নজরুল ইসলাম সোহেল বলেন, ‘প্রবীর সাহা হঠাৎ করে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে এসে বলেন তার সাথে কথা আছে। আমাকে বের হয়ে যেতে বলেন। তখন বিষয়টি আমার মাইন্ডে লেগেছে। তাই কিছু কথা কাটাকাটি হয়েছে। তাকে মারধর করা হয়নি।’

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ অতুল মন্ডল বলেন, ‘আমি, জেলা পরিষদ সদস্য সোহেল ও সাংবাদিক প্রবীর সাহা একসাথে আমার কক্ষে আসি। ওই সময় সাংবাদিক প্রবীর সাহা আমার সাথে কথা বলতে চান। তিনি সোহেল সাহেবকে বলেন, আপনার কথা শেষ হলে আমি কথা বলব । এটা নিয়ে কেন জানি হুট করে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তারা কক্ষের বাইরে চলে যান। সেখানে কি হয়েছে বলতে পারবো না।

সাংবাদিক প্রবীর সাহাকে মারধরের ঘটনায় পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান সহ জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে ঘটনা তদন্ত করে জেলা পরিষদ সদস্য সোহেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছন।

 

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে