মান্দায় চকচম্পক ছোট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২৪; সময়: ৮:২০ অপরাহ্ণ |
মান্দায় চকচম্পক ছোট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, মান্দা (নওগাঁ) : নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকচম্পক ছোট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি চলাকালিন তিনপদে লোকবল নিয়োগর জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঈদের দীর্ঘ ছুটির কারণে আবেদনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আগ্রহী চাকরিপ্রত্যাশীরা আবেদন করতে পারেননি।

অভিযোগ উঠেছে, পছন্দের লোকজনকে গোপনে নিয়োগ দেওয়ার জন্য এমন কাণ্ড করেছেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক রহিদুল ইসলাম। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়ে নওগাঁ জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চকচম্পক ছোট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক, নৈশপ্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে লোকবল নিয়োগের জন্য গত ১২ জুন দৈনিক প্রথম আলো ও করতোয়া পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে আবেদনের মেয়াদ ছিল ১৫ দিন। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোরবানি ঈদের ছুটি শুরু হয়। চলে ২৬ জুন পর্যন্ত।

এ কারণে আগ্রহী চাকরিপ্রত্যাশীরা আবেদন করতে পারেননি। উল্লেখিত পদগুলোতে স্থানীয় তিন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক রহিদুল ইসলাম মোটা অংকের টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
চকচম্পক ছোট গ্রামের বাসিন্দা আতাউর রহমান বলেন, দীর্ঘ দুই বছর ধরে এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত কমিটি নেই। তিন সদস্যের নির্বাহী কমিটি দিয়েই চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে যাবতীয় কার্যক্রম। এ নির্বাহী কমিটিতে সভাপতির পদে আছেন প্রধান শিক্ষক রহিদুল ইসলামের আপন ভগ্নিপতি আজহারুল ইসলাম। প্রধান শিক্ষক সদস্য সচিব ও স্থানীয় রফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে রাখা হয়েছে সদস্য পদে।

বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইডে দেখা যায় ২০০৫ সালে তারিনী কান্ত সরকার নামের এক ব্যক্তিকে আইসিটি শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওই সময় আমি বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্বে ছিলাম। আমার সময়ে এ ধরণের কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ কিংবা তারিনী কান্ত সরকারকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আমার সাক্ষর জালিয়াতি করে উক্ত পদে তারিনী কান্ত সরকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছি।

এ বিষয়ে চকচম্পক ছোট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিদুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয় ছুটির সময় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সঠিক হয়নি। এসব পদে আবারও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সাক্ষর জালিয়াতি করে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগটি অস্বীকার করেন তিনি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, ‘আমি এখন বাইরে আছি। ফাইল না দেখে কিছুই বলতে পারছি না। পরে ফোন দিয়েন।

 

 

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
topউপরে