ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৮১ জন

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এডিস মশাবাহী রোগে আগস্ট মাসের প্রথম ১০ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮১ জন। আর সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ জন। সবমিলিয়ে চলতি মওসুমে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯৫’এ দাঁড়াল।
গেল জুলাই মাসের ২৬ দিনে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২১৪ জন। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) জেলায় ১৭ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরে গেছেন ১৪ জন। বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৬৫ জন।
এদিকে সারা দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও ডেঙ্গু আক্রান্তের হার ক্রমেই বাড়ছে। আগস্টের প্রথম ১০ দিনেই ১৮১ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
আর চলতি বছরের জুলাই মাসের ৪ তারিখ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন ২১৪ জন। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে আগস্টের পুরো মাসে গত জুলাই মাসের আক্রান্তের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাবে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, আগস্টের ১ তারিখ জেলায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ১২ জন, ২ তারিখ ১০ জন, ৩ তারিখে ১ জন, ৪ তারিখে ৯ জন, ৫ তারিখে ১৮ জন, ৬ তারিখে ১৪ জন, ৭ তারিখে ১৮ জন, ৮ তারিখে ১২ জন, ৯ তারিখে ২১ ও ১০ তারিখে ১৭ জন।
এর আগে জুলাই মাসের শেষ চার দিনে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৭ তারিখে ১৬ জন, ২৮ তারিখে ১২ জন, ২৯ তারিখে ৬ জন, ৩০ তারিখে ১৫ ও ৩১ জুলাই ছিল সর্বোচ্চ ২৫ জন।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশ করা তালিকা থেকে জানা যায়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৭ জনের মধ্যে ৭ জনই সদর উপজেলার।
এছাড়া বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগরে ৪ জন করে ৮ জন এবং নাসিরনগরে ২ জন। একই সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি গেছেন ১৪ জন এবং বর্তমানে জেলায় ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা নিচ্ছেন ৬৫ জন।
চিকিৎসা গ্রহণ করা ৬৫ জনের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ২১ জন, বাঞ্ছারামপুরে ৮ জন, কসবায় ১ জন, বিজয়নগরে ২ জন, নাসিরনগরে ২০ জন, নবীনগরে ১১ জন ও আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ২ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
একইসময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরাদের মধ্যে জেনারেল হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭, নাসিরনগরে ১ জন, বাঞ্ছারামপুরে ১ জন, কসবায় ২ জন, আশুগঞ্জে ১ জন ও নবীনগরে ২ জন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জন ডাক্তার একরাম উল্লাহ জানান, সারা দেশেই আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে।
আমাদের সবাইকে আরও সচেতন হয়ে ডেঙ্গু বিষয়ে জাতীয় নির্দেশনাগুলোকে অনুসরণ করতে হবে। ডেঙ্গু মোকাবেলায় করোনার মতো সবাইকেও এ বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরী।




