কচুয়ায় ময়লার ভাগাড়ে শতাধিক ঘর-বাড়ি জলাবদ্ধতার কবলে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কচুয়া : চাঁদপুরের কচুয়ায় ময়লার ভাগাড়ে শতাধিক ঘর-বাড়ি জলাবদ্ধতার কবলে পড়ায় চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার রহিমানগর বাজার অংশে দু’শত গজের ব্যবধানে সাপলোলা খালের উপর দু’টি ব্রীজের নিচে বাজার ব্যবসায়ীরা যথেচ্ছাভাবে ময়লা আবর্জনা ফেলায় খালের পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
এ জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে উপজেলার সাতবাড়িয়া, ধামাই, পনশাহী, জুনাশার ও নূরপুর গ্রামের শতাধিক ঘর-বাড়ি।
জলাবদ্ধতার কবলে পড়া শতশত লোকজন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। বন্ধ হয়ে গেছে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আসা-যাওয়া। শ্রমজীবি লোকজনরা কাজ করতে না পেরে দারুন বিপাকে পড়েছে। আউশ ধান, বীজ তলা ও সদ্য রোপা আমন পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে বিনষ্ট হচ্ছে। বেড়ে চলছে মশার বংশবিস্তার।
বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারের কোনো স্থানে নির্ধারিত কোনো স্থান না থাকায় ব্রীজের নিচে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। প্রতিদিন ওই বাজরের আবর্জনা ফেলার কারনে স্তুপে পরিণত হয়ে ব্রীজের দু’পাশে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সাতবাড়িয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন, দুলাল, বজলু মিয়া, ধামাই গ্রামের রুহুল আমিন ও রুস্তম আলী জানান, পানিবন্দী লোকজনরা খুবই মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের দুর্দশা দেখার জন্য জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসনের কোন লোকজন এখনও ছুটে আসনি।
তারা আরও জানান, রহিমানগর বাজার অংশে উক্ত দু’ব্রীজের নিজে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করার জন্য বাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট বার বার দাবী জানানো সত্বেও কোন কার্যকর ভূমিকা নেননি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হাসান জানান, ব্রীজের নিচে ময়লা আবর্জনার স্তুপ ও সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।




