সুজানগরে নানা আয়োজনে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৮, ২০২৩; সময়: ৩:১৮ pm | 
খবর > আঞ্চলিক

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুজানগর : ‘শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়-এই প্রতিপাদ্যের আলোকে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পাবনার সুজানগরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেলের ১৮ অক্টোবর ৬০তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস-২০২৩ উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি,আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.সানজিদা মুজিব, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল জব্বার, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জিল্লুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই, শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ।

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, যায়যায়দিন প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পরে দিবসটি উপলক্ষে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন, রচনা ও কবিতা আবৃত্তিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। এর আগে সকালে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তরিকুল ইসলাম বলেন , শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।

তোমরা যেমন তোমাদের বাবা-মায়ের আদরের সন্তান,তেমনি শেখ রাসেলও তার বাবা-মায়ের আদরের সন্তান ছিল। তাই তার সম্পর্কে জানতে তোমাদের নিয়ে এ আয়োজন ।

আজকের শিশুরাই আগামী দিনে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে ভূমিকা রাখবে। তাই দেশের ইতিহাস জানতে শিশুদের উৎসাহ দিতে হবে।

একই সঙ্গে তাদের জানার সুযোগও তৈরি করে দিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন