ঈশ্বরদীতে ট্রেনের বগির নিচে থেকে ককটেল বোমা উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঈশ্বরদী : পাবনার ঈশ্বরদী জংশন রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল বোমা উদ্ধার করেছে র্যাব। পরে সেটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম ইয়ার্ডে রেললাইনের দাঁড় করিয়ে রাখা চায়না নতুন কোচের (বগি) নিচে লাল টেপ প্যাঁচানো একটি বোমা সদৃশ বস্তু দেখতে পান রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর দুজন সদস্য। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। র্যাব-পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রাখে।
পরে রাজশাহী র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে কাজ শুরু করেন। উদ্ধার করা অবিস্ফোরিত ককটেল বোমাটি শুক্রবার বেলা ১২টায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এরআগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি কলটেল বোমা উদ্ধার করে র্যাব।
পাকশী রেলওয়ে পুলিশের এসপি শাহাবুদ্দিন বলেন, রেললাইনের দাঁড় করিয়ে রাখা চায়না নতুন কোচের (বগি) নিচে লাল টেপ প্যাঁচানো বোমা সদৃশ দেখতে পান সেখানে দায়িত্ব পালনরত আরএনবি সদস্যরা। পরে পাবনা ও আশপাশের জেলায় পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল না থাকায় রাজশাহী র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলকে খবর দেওয়া হয়। তারা বোমাটি উদ্ধার করে বিস্ফোরণ ঘটায়।
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে র্যাব-১২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মারুফ হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য বোমাটি ফেলে যেতে পারে বলে তাঁদের কাছে মনে হচ্ছে। মাঝারি ক্ষমতাসম্পন্ন ককটেল বোমাটির উপাদান বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- র্যাব-১২ সিপিসি-২–এর কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার গোলাম ফারুফ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সুবীর কুমার দাস ও পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত বুধবার দুপুরে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার পর ঢাকাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বোতলে ভর্তি পেট্রল উদ্ধার করে। বুধবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে বোমা সদৃশ বস্তুর খবরে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।




