পিছিয়ে পড়েও চেক প্রজাতন্ত্রকে হারাল দক্ষিণ কোরিয়া

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ম্যাচজুড়ে আক্রমণে আধিপত্য ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না দলটি। উল্টো প্রথম লক্ষ্যে শট থেকেই এগিয়ে যায় চেক প্রজাতন্ত্র। তবে শেষ পর্যন্ত দারুণ প্রত্যাবর্তন করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে দক্ষিণ কোরিয়া। প্রথমার্ধে চেক প্রজাতন্ত্রের গোলমুখে মোট আটটি শট নেয় তারা। এর মধ্যে পাঁচটিই ছিল অধিনায়ক সন হিউং-মিনের। তবে কোনো প্রচেষ্টাই লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি।
বিরতির পর ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে এগিয়ে যায় চেক প্রজাতন্ত্র। দলের অধিনায়ক লাদিস্লাভ ক্রেইচির হেডে গোল করে ১-০ ব্যবধানে লিড নেয় ইউরোপের দলটি। ম্যাচে সেটিই ছিল তাদের প্রথম লক্ষ্যে রাখা শট।
তবে পিছিয়ে পড়ার পর দ্রুতই ম্যাচে ফেরে দক্ষিণ কোরিয়া। ৬৭তম মিনিটে ফেইনুর্ডের মিডফিল্ডার হোয়াং ইন-বম গোল করে সমতা ফেরান। এরপর ৭৮তম মিনিটে চেক প্রজাতন্ত্র আবারও বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে তমাশ সুচেকের গোলটি বাতিল হয়।
সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই দুই মিনিট পরই বিজয়সূচক গোল পেয়ে যায় দক্ষিণ কোরিয়া। হোয়াং ইন-বমের ক্রস থেকে পাওয়া বলে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন বেসিকতাসের ফরোয়ার্ড ওহ হিউয়ান-গিউ। তার গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় কোরিয়ানরা।
ম্যাচের ৮২তম মিনিটে সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল চেক প্রজাতন্ত্র। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক কিম সুং-গিউ অসাধারণ সেভ করে দলকে বিপদমুক্ত করেন।
বিশ্বকাপের মঞ্চে এটি দক্ষিণ কোরিয়ার অষ্টম জয়। ২-১ ব্যবধানে তাদের এটি চতুর্থ জয়। মজার বিষয় হলো, এই চারটি ম্যাচেই প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল কোরিয়ানরা, এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়া তাদের পরবর্তী ম্যাচে ১৮ জুন মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে। একই দিনে আটলান্টায় চেক প্রজাতন্ত্র খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।




