নিউইয়র্ক মেট্রোয় ফুটবল কসরত, নাচে জমে যাত্রীদের ভ্রমণ

বিশ্বকাপের আবহে চলন্ত মেট্রোয় বিনোদনের ভিন্ন চিত্র; বখশিশে চলে শিল্পীদের আয়।

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬; সময়: ২:৫৬ pm | 
খবর > খেলা

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : নিউইয়র্ক: বিশ্বকাপের আমেজে মুখর যুক্তরাষ্ট্রের ব্যস্ততম শহর নিউইয়র্ক। নগরজীবনের প্রধান ভরসা মেট্রোরেলে প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াতের মাঝেই দেখা মিলছে ভিন্নধর্মী এক দৃশ্য। চলন্ত ট্রেনের বগিতে ফুটবল কসরত, নাচ ও সংগীত পরিবেশন করে যাত্রীদের বিনোদন দিচ্ছেন পথশিল্পীরা।

নিউইয়র্কের বিভিন্ন মেট্রো লাইনে ভ্রমণের সময় দেখা যায়, কিছু শিল্পী ফুটবল নিয়ে নানান কৌশল প্রদর্শন করছেন। আবার কেউ সংগীত বাজানোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে নৃত্য পরিবেশন করছেন। প্রদর্শনী শেষে তারা যাত্রীদের কাছ থেকে স্বেচ্ছা বখশিশ সংগ্রহ করেন। কেউ এক-দুই ডলার দিয়ে উৎসাহ দেন, আবার কেউ নীরবে এড়িয়ে যান।

মেট্রোর এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনের দূরত্ব সাধারণত দুই থেকে পাঁচ মিনিট হওয়ায় শিল্পীরা অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ পথের অংশে ওঠেন। নির্ধারিত প্রদর্শনী শেষে পরবর্তী স্টেশনেই নেমে অন্য ট্রেনে একইভাবে পরিবেশনা চালিয়ে যান।

বাংলাদেশের ব্যস্ত সময়ে মেট্রোরেলে দাঁড়িয়ে থাকাই যেখানে কঠিন, সেখানে নিউইয়র্কের অনেক বগিতে তুলনামূলক ফাঁকা পরিবেশ দেখা যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটস–রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ স্টেশন এলাকায় গিটার হাতে সংগীত পরিবেশনকারী শিল্পীদের উপস্থিতিও চোখে পড়ে।

নিউইয়র্কের ‘ই’ ও ‘এফ’ লাইনে বাংলাদেশি প্রবাসীদের যাতায়াত বেশি। এসব আধুনিক ট্রেনে প্রতিটি স্টেশনের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘোষণা করা হয় এবং ডিজিটাল প্রদর্শনপর্দায় পরবর্তী স্টেশনের তথ্যও দেখানো হয়। তবে কিছু পুরোনো লাইনে এখনো এমন সুবিধা নেই।

মেট্রো ব্যবহারের জন্য ‘অমনি’ কার্ড ব্যবহার করতে হয়। প্রায় সব স্টেশনেই কার্ড কেনা ও পুনরায় অর্থ সংযোজনের ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি স্টেশনে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে থাকেন।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন