মেধাবী তরুণদের জন্য শুধু অনুপ্রেরণা নয়, সমান সুযোগও প্রয়োজন: জাইমা রহমান

মেধা বিকাশে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিতের আহ্বান, তরুণদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের প্রতি আহ্বান

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬; সময়: ১২:০০ pm | 
খবর > জাতীয়

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে মেধাবী তরুণ-তরুণীর কোনো অভাব নেই। তবে তাদের বিকাশে শুধু অনুপ্রেরণা নয়, প্রয়োজন সমান সুযোগ, মানসম্মত শিক্ষা এবং শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে জাইমা রহমান জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা কয়েকজন মেধাবী শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছে। তারা স্কাউটিং, বিজ্ঞানমেলা, বিতর্ক, খেলাধুলা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সংগীত, শিল্পকলা, ভাষা শিক্ষা ও কোডিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বাড়িয়ে চলেছে।

তিনি বলেন, দেশের অনেক প্রতিভাবান তরুণ-তরুণী অল্প বয়সেই আর্থিক সংকট, পারিবারিক দায়িত্ব এবং প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার অভাবের মতো কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়। তবুও তারা নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

রোল মডেলের গুরুত্ব তুলে ধরে জাইমা রহমান বলেন, তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে কাউকে বিখ্যাত বা নিখুঁত হতে হয় না। একজন বাবা-মা, শিক্ষক, প্রশিক্ষক কিংবা সমাজের যে কোনো সংগ্রামী মানুষও একজন তরুণের জন্য অনুকরণীয় হতে পারেন। তাদের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প নতুন প্রজন্মকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে পারে।

তিনি আরও বলেন, অনুপ্রেরণার জন্য সবসময় দেশের বাইরের উদাহরণ খোঁজার প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশেই অসংখ্য সাহসী, মেধাবী ও সমাজসেবায় নিবেদিত মানুষ রয়েছেন, যাদের জীবন ও কর্ম তরুণদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।

জাইমা রহমানের মতে, শুধু অনুপ্রেরণা দিলেই যথেষ্ট নয়; প্রতিটি শিশুর জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে তারা সমানভাবে শিক্ষা, খেলাধুলা এবং নতুন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে তিনি তরুণদের সম্ভাবনা বিকাশে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

পোস্টের শেষাংশে তিনি প্রশ্ন রাখেন, “বাংলাদেশে যোগ্য ও মেধাবী তরুণ-তরুণীর কোনো অভাব নেই। কিন্তু যখন তাদের আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তখন আমরা কি সত্যিই তাদের পাশে দাঁড়াতে পারছি এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করছি?”

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন