বরগুনায় জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : পূর্ণিমার প্রভাব ও ভারি বর্ষায় বরগুনার গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী, খাল বিলের পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
রোববার (৬ আগস্ট) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবোর) পরিমাপক মাহাতাব হোসেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, নিম্নচাপের প্রভাবে বরগুনার প্রধান তিন নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে, পাথরঘাটা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার, বরগুনা পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গোলবুনিয়া এলাকার আনোয়ার হোসেন বলেন, এ এলাকাসহ বেশকিছু এলাকার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিতে আছে। বৃষ্টি ও জোয়ারে মানুষ আতঙ্কে আছে। বরগুনার মাঝের চর এলাকার আলি আকবরসহ একাধিক বাসিন্দা বলেন, আমাদের জমিজমা নেই। তাই নদীর চরে বাড়ি করেছি।
ভাবছিলাম এবার বন্যা হবে না কিন্তু পানি যেভাবে বাড়ছে তাতে বোরো আবাদ মনে হয় বন্যায় খেয়ে যাবে। রাতে ঘুম হয় না, খুব দুশ্চিন্তায় আছি। বদরখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান রাজা বলেন, মাঝের চরের বরগুনা অংশের কিছু এলাকার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে।
খুব শিগগির এডিপির অর্থ দিয়ে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, আবহাওয়ার সতর্ক বার্তা পেয়েই জেলেদের জানানো হয়েছে। তারা নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসছে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক মাহাতাব হোসেন বলেন, খাকদন নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে যা গতকালের তুলনায় ৭ সেন্টিমিটার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঢাকা আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ ড. আব্দুল মান্নান বলেন, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলে ৩ নম্বর সর্তক সংকেত জারি করা হয়েছে। এছাড়া, নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। সকল মাছ ধরার ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।




