নওগাঁ-১ আসনে মনোনয়ন দৌড় তুঙ্গে

এম রইচ উদ্দিন, পোরশা : আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-পোরশা-সাপাহার) আসনে রাজনৈতিক তৎপরতা জমে উঠেছে। বিএনপির মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন একাধিক নেতা, আর জামায়াত তাদের একক প্রার্থী ঘোষণা করে ইতিমধ্যেই গণসংযোগ চালাচ্ছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশেও চলছে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই।
বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. ছালেক চৌধুরী। তাঁর সঙ্গে মনোনয়নের দৌড়ে আছেন নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি নুরুল ইসলাম, যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য মাহমুদুস সালেহীন, পোরশা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহম্মেদ মোজাম্মেল হক শাহ্ চৌধুরী এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক লায়ন মাসুদ রানা।
দলের মধ্যে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকায় শেষ পর্যন্ত কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে দ্বিধা রয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মতে, কেন্দ্রীয় কমিটি সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে আভ্যন্তরীণ কোন্দল ভোটের মাঠে দলের ক্ষতি করতে পারে। তবু প্রত্যাশীরা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে লবিং ও মাঠপর্যায়ে গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলমকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আছেন পোরশা উপজেলার সাবেক তিন সভাপতি মাওলানা আব্দুল হক শাহ্, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, তৈয়ব শাহ্ চৌধুরী এবং জেলা সিনিয়র সদস্য মাওলানা ওমর আলী সরদার।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জামায়াতের নিবন্ধন পুনরুদ্ধার এবং নির্বাচনী প্রতীক ফিরে পাওয়া তাদের তৎপরতা বাড়াবে। জাতীয় পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি এখনো নির্বাচনী মাঠে তেমন সক্রিয় না হলেও ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসবে তাদের অবস্থান স্পষ্ট হবে।
এদিকে তৃণমূল নেতাদের মধ্যে শঙ্কা, বিএনপির প্রার্থী বাছাই নিয়ে ধোঁয়াশা ও বিভক্তি থাকলে তা আগামী নির্বাচনে দলের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।




