ইভিএম বাতিল, ফিরছে ‘না ভোট’

পদ্মাটাইমস ডেস্ক: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে ইভিএম বাতিলের পাশাপাশি ফের চালু হচ্ছে ‘না ভোট’।
সোমবার (১১ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে মুলতবি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার- আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে ইসি সদস্য আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী একক প্রার্থী থাকলেও বিনা ভোটে কেউ নির্বাচিত হতে পারবে না। ভোটের ফলে সমতা এলে লটারির মাধ্যমে নয়, পুনঃভোটের মাধ্যমে ফল নির্ধারণ হবে। সশস্ত্র বাহিনীকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ইসি চাইলে ৩০০ আসনের ফল বাতিল করার ক্ষমতা পাবে। জোটগত নির্বাচন হলে প্রতিটি দলকে নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে। প্রার্থীর হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রমাণিত হলে নির্বাচনের পরও এমপি পদ বাতিলের ক্ষমতা থাকবে কমিশনের।
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ‘না ভোট’ চালু হয়েছিল। ওই সময় আরপিও’র ধারা ৩১(৫)(বিবি)-তে এ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ব্যালট পেপারের সবশেষ প্রার্থীর স্থানে লেখা থাকত—‘ওপরের কাউকে নয়’ এবং চিহ্ন হিসেবে রাখা হয়েছিল ‘ক্রস’ (ঢ)। সে নির্বাচনে সারা দেশে মোট প্রদত্ত ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৫৯ হাজার ২১০ ভোটের মধ্যে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭টি ছিল ‘না ভোট’।




