শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ পেলেন ৪১,৬২৭ জন

পদ্মাটাইমস ডেস্ক: ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৪১,৬২৭ জন প্রার্থী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা অনলাইন থেকে সুপারিশপত্র ডাউনলোড করে মনোনীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগদান করবেন।
মঙ্গলবার বিকেলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এ তথ্য জানায়। ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদ ছিল ১ লাখ ৮২২টি, যার মধ্যে ৭৮০টি পদের চাহিদা পরে বাতিল করা হয়। ফলে শূন্যপদ ছিল ১ লাখ ৪২টি। এ পদের বিপরীতে নিয়োগের সুপারিশ পেতে আবেদন করেন ৫৭ হাজার ৮৪০ জন, যাদের মধ্যে ৪১,৬২৭ জনকে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় ৫৮ হাজার ৪১৫টি পদ শূন্য থেকে গেছে।
ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশকৃত প্রার্থীদের ফলবিস্তারিত এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। নির্বাচিত প্রার্থী নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ফল দেখতে পারবেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার জানিয়েছেন, বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামীতে আরও শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হবে। তিনি বলেন, “অত্যন্ত গৌরবের সঙ্গে আজ আমরা নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করছি। শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে মেধাবী ও দক্ষ শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যারা আগামী প্রজন্মকে উপযুক্তভাবে গড়ে তুলবে।”
ড. আবরার আরও জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ও নির্দিষ্ট বিষয়ের উপযুক্ত প্রার্থীদের তথ্য ডিজিটালি যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়েছে। এতে প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বললেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৮২২টি শূন্যপদের বিপরীতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রায় ৪১ হাজার প্রভাষক/শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ই-রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে চাহিদা সংগ্রহ ও যোগ্যতা অনুসারে নিয়োগ সুপারিশের সমগ্র প্রক্রিয়াটি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে।
ড. আবরার বিস্তারিত তুলে ধরেন, প্রথমে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা হয়। এতে ১৮,৬৫,৭১৯ জন প্রার্থী আবেদন করেন। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১৩,৪০,৮৩৩ জন, উত্তীর্ণ হন ৪,৭৯,৯৮১ জন। লিখিত পরীক্ষা দেন ৩,৪৮,৬৮০ জন, পাস করেন ৮৩,৮৬৫ জন। মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৮১,২০৯ জন, পাস করেন ৬০,৬৩৪ জন। তাদের মধ্যে প্রায় ৪১,৬২৭ জন শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছেন।



