বিসিবি নির্বাচনে প্রহসনের অভিযোগে সরে গেলেন রাজশাহীর হাসিবুল
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মুহাম্মদ মুখলেছুর রহমান রাজশাহীর কাউন্সিলরদের ঢাকায় একটি হোটেলে গোপনে রেখেছেন, যা পুরোপুরি অবৈধ।

পদ্মাটাইমস ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের দিন যত কাছে আসে, ততই প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর বা নির্বাচন বর্জনের ঘটনা বাড়ছে।
শুক্রবার মধ্যরাতে লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বাদল নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। এবার রাজশাহী বিভাগের পরিচালক পদপ্রার্থী হাসিবুল আলম শাওয়নও নির্বাচনের বাইরে চলে গেছেন।
শনিবার সকালে তিনি বিসিবি ভবনে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের নাম প্রত্যাহারের কথা জানান। যদিও ব্যালটপেপারে তার নাম থাকবেই, তবে আর ভোটে তার অংশগ্রহণ থাকবে না।
হাসিবুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, “আমি মূলত জানতে এসেছিলাম কতজন কাউন্সিলর ই-ভোটে ভোট দেবেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাইনি। শুরু থেকেই আমাকে ভোটারদের কাছ থেকে দূরে রাখা হয়েছে। এভাবে সুষ্ঠু ভোটের কোনো পরিবেশ নেই। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মুহাম্মদ মুখলেছুর রহমান রাজশাহীর কাউন্সিলরদের ঢাকায় একটি হোটেলে গোপনে রেখেছেন, যা পুরোপুরি অবৈধ।”
তিনি আরও জানান, “যদি এই পরিস্থিতি চলতে থাকে, নির্বাচনের মান আরও খারাপ হবে। আগের নির্বাচনের তুলনায় এখন পরিস্থিতি আরও নাজুক। তাই আমি স্বেচ্ছায় নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালাম।”
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ক্যাটাগরি-১ থেকে ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে মোট ৩৫ জন ভোট দেবেন। এর মধ্যে ১৯ জন ই-ভোটে এবং ১৬ জন সরাসরি ভোট দেবেন।
গত বুধবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তামিম ইকবালসহ ১৬ জন প্রার্থী নাম প্রত্যাহার করেছিলেন। এবার নতুন দুই প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর ফলে বিসিবি নির্বাচনের পরিবেশে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।




