বিএনপির উদ্দেশে কঠিন বার্তা দিলেন রুমিন ফারহানা

পদ্মাটাইমস ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা এখনই নিজেদের নিয়ন্ত্রণ না করলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে।
শুক্রবার দিবাগত রাতে সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপির একাংশের হামলার শিকার হন রুমিন ফারহানা। তিনি অভিযোগ করেন, ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে ১২টা ১ মিনিটে তারই সবার আগে ফুল দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বিএনপির কিছু নেতাকর্মী তার ও তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়।
রুমিন ফারহানা বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছে। যদি দলের নেতাকর্মীদের স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তবে এর পরিণতি ভয়ংকর হবে। দীর্ঘ ১৫ বছর নেতা-কর্মীরা নানা চাপে ছিল এবং লুকিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছিল। এখন যারা উগ্র হিংস্রতা দেখাচ্ছে, তা দলের উচ্চ পর্যায়ে মনিটর করা এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নিলে দলের জন্য ক্ষতিকর হবে।”
তিনি হামলাকে ‘পুরোপুরি পূর্বপরিকল্পিত’ এবং ‘ভয়ংকর হিংস্রতা’ হিসেবে অভিহিত করেন। নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার কষ্ট ও অর্থ লেনদেনে ব্যর্থতার কারণে গুন্ডা প্রকৃতির লোকেরা এই তাণ্ডব চালিয়েছে বলে দাবি করেন।
শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে সরাইল উপজেলা সদর এলাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছালে, বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন-এর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে রুমিন ফারহানার পুষ্পস্তবক ছিঁড়ে ফেলা হয়।
পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এই ঘটনার জেরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন রুমিন ফারহানার সমর্থকরা। প্রশাসনের আশ্বাসে এক ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।




