বন্যার্ত মানুষের সঙ্গে পশুপাখির পাশেও দাঁড়ানোর আহ্বান নিলয়-হিমির
দেশজুড়ে ভয়াবহ বন্যায় মানবিক সহায়তার পাশাপাশি অসহায় প্রাণীদের খাদ্য, পানি ও আশ্রয় নিশ্চিত করার অনুরোধ জনপ্রিয় এই অভিনয়জুটির।

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশাপাশি অসহায় পশুপাখির প্রতিও সহমর্মিতা দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী নিলয় আলমগীর ও জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, সিলেট, হবিগঞ্জসহ দেশের একাধিক জেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। কোথাও কোথাও পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটেছে। এতে লাখো মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবিক সংকটে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারা। তাঁদেরই ধারাবাহিকতায় সোমবার পৃথক বার্তায় বন্যাকবলিত মানুষ ও প্রাণীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান নিলয় ও হিমি।
নিলয় আলমগীর তাঁর বার্তায় বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে হলেও শহর ও আশপাশের এলাকায় বারবার বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণ খুঁজে বের করে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, শুধু মানুষ নয়, দুর্যোগে কুকুর, বিড়ালসহ অসংখ্য প্রাণীও খাদ্য ও আশ্রয়ের সংকটে পড়ে। তাই তাদের প্রতিও সহমর্মিতা দেখানো সবার দায়িত্ব।
একই দিনে নিজের ফেসবুক বার্তায় জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার পাশাপাশি পশুপাখির কথাও যেন কেউ ভুলে না যান। তাঁর ভাষায়, ক্ষুধা, তৃষ্ণা ও আশ্রয়হীনতায় প্রাণীরাও সমানভাবে কষ্ট পাচ্ছে। তাই সম্ভব হলে তাদের জন্য খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।
হিমি আরও বলেন, মানুষের প্রতি মানবতা এবং সব প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধই আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় হওয়া উচিত। একই সঙ্গে তিনি সবার নিরাপত্তা ও দ্রুত দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করেন।
এর আগে চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন অভিনয়শিল্পী মেহজাবীন চৌধুরী, নুসরাত ফারিয়া, ইরফান সাজ্জাদ, তানজিম সাইয়ারা তটিনী, সাবরিনা পড়শীসহ শোবিজের আরও অনেক তারকা। তাঁদের মতে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণির মানুষের সম্মিলিত মানবিক সহযোগিতাই হতে পারে সবচেয়ে বড় শক্তি।




