বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির মহাসমাবেশের প্রস্তুতিসভা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৫; সময়: ৬:৫৬ pm | 
খবর > রাজশাহী

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীতে ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির নেতা কর্মীদের নিয়ে দলিল লেখক মহাসমাবেশের প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে এ প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হাজী মোঃ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব এম এ রশিদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব কে.এস.হোসেন টমাস, যুগ্ম মহাসচিব এস এম আয়নাল হক, অর্থ সম্পাদক এম.এ.তাহের, প্রচার সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হক, যুগ্ম মহাসচিব আমিনুল ইসলাম আকন, যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিকসহ বিভাগীয় ও জেলার নেতৃবর্গ এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির মহাসচিব এম এ রশিদ ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব কে এস হোসেন টমাস তাদের বক্তব্যে বলেন, দলিল লেখকরা অনেক কষ্ট করে তহশিল অফিসে কাগজপত্রের খোজ খবর নিয়ে দলিল লিখে পান ১৬০ টাকা। অথচ একজন কাজী কাবিননামায় কবুল লেখে পাচ্ছেন ৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া বাকিতে ঘুষ নেয় তহশিল অফিসের কিছু কর্মচারী বলেও মন্তব্য করেন তিনি এবং ৮ ফেব্রুয়ারী রাজধানীতে মহাসমাবেশের ঘোষণা দেন মহাসচিব এম এ রশিদসহ বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির নেতা কর্মীরা। তারা বলেন আগামী ৮ ফেব্রুয়ারী রাজধানীতে মহাসমাবেশ করা হবে।

তাদের দাবি গুলো হচ্ছে, দলিল রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখদের পেশাচ্যুত করা যাবে না। সাবেক আইন মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতিশ্রুতি দলিল প্রতি সম্মানী ভাতা নূন্যতম ৪০০০ টাকা বাস্তবায়ন করতে হবে। লাইসেন্স প্রাপ্ত দলিল লেখক ব্যতিত অন্য কেহ দলিল লেখতে বা মুসাবিদা করতে পারবে না মর্মে প্রজ্ঞাপন জারী করতে হবে। থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারী খরচে দলিল লেখকদের বসার ও নামাজের স্থান নির্মান করে দিতে হবে। যেহেতু পক্ষগণের সরবরাহকৃত কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল লেখা হয়, সেহেতু দলিল লেখদের পেশাগত দলিল লেখা মুসাবিদা কারক হিসাবে দলিল লেখদের আসামী করা যাবে না। দলিল লেখক সমিতির থানা ও জেলা কমিটির সুপারিশ ব্যতিত অনভিজ্ঞদের দলিল লেখার লাইসেন্স প্রদান করা যাবে না মর্মে প্রজ্ঞাপন জারী করতে হবে। দলিল লেখক কাউন্সিল গঠনের অনুমতি দিতে হবে।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন