শবে মেরাজের রাতের ফজিলত ও আমল
আজ পবিত্র শবে মেরাজ, নামাজ ফরজ হওয়ার রাত

পদ্মাটাইমস ডেস্ক: আজ (শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি) মুসলিম উম্মাহ পবিত্র শবে মেরাজ উদযাপন করছে। ইসলামে এই রাতকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়, কারণ এ রাতে মহান আল্লাহর রহমত কামনায় মুসলমানরা মসজিদ, নিজগৃহ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন পাঠ, জিকির, নফল নামাজ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে ইবাদত পালন করেন।
শবে মেরাজ অর্থ ‘ঊর্ধ্বগমনের রাত’। ইসলামী ইতিহাসে এ রাতের মধ্য দিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কাবা শরীফ থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাসে যাত্রা করেন (ইসরা) এবং ফেরেশতা হজরত জিবরাইল (আ.)-এর সঙ্গে বুরাক বাহনে ঊর্ধ্বাকাশে মেরাজের সফর সম্পন্ন করেন। এই রাতেই মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়।
শবে মেরাজের রাতে নফল নামাজ, রোজা, তাসবীহ ও তাহলীল পাঠের মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করা হয়। বিশেষ কোনো নির্ধারিত আমল না থাকলেও, এ রাতকে কেন্দ্র করে ধর্মপ্রাণরা ওয়াজ, দোয়া মাহফিল এবং নফল ইবাদতে লিপ্ত থাকেন। নবীজী (সা.)-এর আমল অনুসারে, রজব ও শাবান মাসে ইবাদত ও নফল রোজা পালন রমজানের প্রস্তুতির অংশ।
শবে মেরাজের নামাজ সাধারণ নফল নামাজের নিয়ম অনুসারে আদায় করা হয়। দুই রাকাতের নিয়তে কমপক্ষে ১২ রাকাত নফল নামাজ পড়া হয়। নামাজের নিয়ত উচ্চারণ করা হয়:
“নাওয়াইতুআন উছাল্লিয়া লিল্লাহে তাআলা রাকআতায় ছালাতি লাইলাতিল মেরাজ মুতাওইয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার”।
এ রাতে ইবাদতের মূল উদ্দেশ্য হলো ঈমান দৃঢ় করা, নামাজের গুরুত্ব অনুধাবন করা এবং আল্লাহর কুদরতের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। যদিও এটি উৎসবের মতো পালন করা ইসলামী শরিয়তে বাধ্যতামূলক নয়, তবুও মুসলিমরা এ রাতে বিশেষ ইবাদতের মাধ্যমে শবে মেরাজ উদযাপন করেন।




