কোন পশুর বয়স কত হলে কোরবানি বৈধ হবে

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : কোরবানি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো।’ (সুরা কাউসার: ২)। তবে এই ইবাদত শুদ্ধ হওয়ার জন্য কোরবানির পশুর নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হওয়া আবশ্যক।
ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, উট কোরবানি করতে হলে তার বয়স কমপক্ষে পাঁচ বছর পূর্ণ হতে হবে। গরু ও মহিষের ক্ষেত্রে কমপক্ষে দুই বছর এবং ছাগলের বয়স অন্তত এক বছর পূর্ণ হওয়া জরুরি।
ভেড়া ও দুম্বার ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় রয়েছে। সাধারণত এক বছর পূর্ণ হওয়া শর্ত হলেও, ছয় মাস বয়সী কোনো ভেড়া বা দুম্বা যদি দেখতে এক বছরের পশুর মতো হৃষ্টপুষ্ট মনে হয়, তাহলে তা দিয়েও কোরবানি করা জায়েজ। তবে ছয় মাসের কম বয়সী ভেড়া বা দুম্বা দিয়ে কোরবানি শুদ্ধ হবে না।
অন্যদিকে ছাগলের ক্ষেত্রে বয়সের বিষয়ে কোনো ছাড় নেই। ছাগল দেখতে বড় বা মোটাতাজা হলেও অন্তত এক বছর পূর্ণ না হলে তা কোরবানির জন্য বৈধ হবে না। এমনকি এক বছরের এক দিন কম হলেও সেই পশু দিয়ে কোরবানি জায়েজ হবে না।
এ বিষয়ে হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কোরবানিতে নির্দিষ্ট বয়সের পশু ছাড়া জবেহ কোরো না। যদি তা পাওয়া কঠিন হয়, তবে ছয় মাস বয়সী ভেড়া বা দুম্বা জবেহ করতে পারো।’ (সহিহ মুসলিম: ১৯৬৩)
তাই কোরবানির পশু কেনার সময় বয়স সঠিকভাবে যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। অভিজ্ঞ ব্যক্তি কিংবা পশুর দাঁত দেখে বয়স নিশ্চিত করে নেওয়াই উত্তম।




