তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

পদ্মাটাইমস ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। অভিনন্দন বার্তায় তিনি বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। বিশেষ করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেন তিনি।
কিয়ার স্টারমার বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আপনার নেতৃত্বে এ সম্পর্ক আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য ভবিষ্যতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে আগ্রহী বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। তিনি বলেন, দুই দেশের অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিতে একসঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে তিনি আগ্রহী।
এ ছাড়া অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করে কিয়ার স্টারমার জানান, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্য সরকার তাদের মানবিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
এর আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তারেক রহমানের উদ্দেশে পাঠানো সেই চিঠিতে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করা হয়। চিঠিটি প্রকাশ করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল।
চিঠির শেষাংশে কিয়ার স্টারমার বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ‘পরবর্তী অধ্যায়’কে সফল ও সমৃদ্ধ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।




