রাজশাহীর শিক্ষার উন্নয়নে সর্বাধিক কাজ করে যাব: এমপি হাবীবা

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী হচ্ছে আমার ভালবাসার জায়গা। আমার শিক্ষার হাতে খড়ি এই রাজশাহী থেকে হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করার প্রত্যাশা অনেক বেশী। এজন্য রাজশাহীর শিক্ষার উন্নয়নে সর্বাধিক কাজ করে যাব। এখানে যাঁরা সংসদ সদস্য আছেন তার মধ্যে তিনি হচ্ছেন সপ্তম সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য। যে কোন জায়গার তুলনায় এই রাজশাহী হচ্ছে আমার নিকট অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন। এমনটাই বলছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মাহ্মুদা হাবীবা।
তিনি রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ(টিআর) কর্মসূচীর আওতায় গৃহীত প্রকল্পের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, রাজশাহী হচ্ছে শিক্ষা নগরী। বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গিকার ছিলো শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়া। এবারের বাজেটে শিক্ষাখাতকে গুরুত্বের সাথে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে এই খাতে জিডিপির দুই শতাংশ রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এই খাত জিডিপির পাঁচ শতাংশে উন্নিত হবে। রাজশাহী দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মী হিসেবে তিনি প্রত্যাশা করেন, এই জিডিপির যে অংশটা শিক্ষা খাতে দেয়া হয়েছে, তার বড় একটা অংশ যেন রাজশাহী পায় তার জন্য কাজ করবেন।
তিনি বলেন, রাজশাহীর সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা যেন যথাযথ হয়, শিক্ষার্থীরা যেন সঠিক শিক্ষা পায় এবং সুনাগরিক হিসেবে যেন গড়ে উঠতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। সেইসাথে প্রদানকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি দীর্ঘ পাঁচ বছর সবার সাথে রাজশাহীতে কাজ করার অঙ্গিকার করে উপস্থিত সকলকে এবং জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।
সেইসাথে বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রীসহ সকলের জন্য দোয়া চান তিনি। এছাড়াও স্বৈরাচার পতনের লক্ষে ২০২৪ সালে জুলাই-আগস্টে যারা প্রাণ দিয়েছেন এবং যারা বেঁচে আছেন সবাইকে মনে রাখার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন তিনি। বক্তব্য শেষে তিনি রাজশাহী মহানগরীর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের তেইশটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে মোট চল্লিশ লক্ষ টাকা চেক তুলে দেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। এ সময়ে তিনি প্রাপ্ত অর্থ যথাযথভাবে ব্যায় করার পরামর্শ দেন। এই অর্থ কিভাবে ব্যায় হচ্ছে জেলা প্রশাসন তা মনিটর করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসময়ে অন্যদেও মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মহিনুল হাসান ও ডিআরআরও আব্দুল হাই সরকারসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধি এবং জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।




