বাগমারায় যুবদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ

ছাত্রদলের তিন নেতার বিরুদ্ধে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ; পাল্টা অভিযোগে অস্বীকার, মামলা হয়নি

প্রকাশিত: জুলাই ১৭, ২০২৬; সময়: ১২:৫৩ pm | 
খবর > রাজনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি বাজারে যুবদলের এক নেতাকে মারধর এবং তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের তিন নেতার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত আসাদুল ইসলাম (৩৮) গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সদস্য। তিনি কেবল টেলিভিশন ও ইন্টারনেট ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, নর্থ বেঙ্গল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি পারভেজ রানা, হামির কুৎসা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সুমন এবং গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শাহীন আলম সহ কয়েকজন আসাদুল ইসলামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যান। কেবল ব্যবসা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁরা লাঠি ও রড দিয়ে আসাদুল ইসলামকে মারধর করেন এবং দোকানে ভাঙচুর চালান। এ সময় উপস্থিত এক ব্যক্তি ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত আসাদুলকে উদ্ধার করেন।

শুক্রবার সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে আসাদুল ইসলাম দাবি করেন, অভিযুক্ত পারভেজ রানার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় ক্ষোভের জেরেই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন পারভেজ রানা। তাঁর দাবি, একটি বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য আসাদুল ইসলামই তাঁদের ডেকেছিলেন। আলোচনার সময় সামান্য ধাক্কাধাক্কি হলেও মারধর বা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। পরবর্তীতে ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে ফেসবুকে লাইভ প্রচার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ বা মামলা দায়ের হলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের কারণে বিষয়টির প্রকৃত ঘটনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন