সিক্রেট মাফিয়া পরিচয়ে আলোচনায় গোদাগাড়ীর নাসির, মাদক ব্যবসার অভিযোগ

সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য; অভিযোগ অস্বীকার নাসিরের, বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলছে পুলিশ

প্রকাশিত: জুলাই ১৭, ২০২৬; সময়: ৪:২১ pm | 
খবর > রাজশাহী

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে নাসির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে ঘিরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচিত নাসির বর্তমানে হেরোইন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিষালবাড়ি মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা নাসির উদ্দিনের মা নূরনাহার বেগমের বিরুদ্ধেও অতীতে মাদক-সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মা-ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে আদালতের চূড়ান্ত রায় সম্পর্কে প্রতিবেদনে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মাদক-সংক্রান্ত তিনটি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি মাদকবিরোধী অভিযান চললেও তিনি প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

এদিকে গত ১৪ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোদাগাড়ী থানার সামনে নিজের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি ছবি প্রকাশ করেন নাসির। পরে আরেকটি পোস্টে নিজের ছবির সঙ্গে ‘সিক্রেট মাফিয়া’ লিখে ক্যাপশন দেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

অভিযোগের বিষয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, এটা শুধু একটি কনটেন্ট। যে কোনো ক্যাপশন দেওয়া যায়। আমি কোনোদিন হেরোইন ব্যবসা করিনি। তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করার কারণে প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তির বিরাগভাজন হয়ে মাদক মামলায় জড়িয়েছেন।

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, থানার সামনে নাসিরের যে ছবি প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি এআই প্রযুক্তিতে তৈরি। তিনি জানান, আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। কেউ নিজেকে সিক্রেট মাফিয়া বলছে-বিষয়টি আমরা খোঁজ নিয়ে দেখব।

দ্রষ্টব্য: নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীদের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় বা আইনগত নিষ্পত্তির তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন