মাছের বাজারে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাংস-ডিমের দাম

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০–৩০ টাকা বেড়েছে বিভিন্ন মাছের দাম; ব্রয়লার ১৯০ ও ডিম ১৩৫ টাকায় স্থির

প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২৬; সময়: ১১:২৫ am | 
খবর > অর্থনীতি

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : রাজধানীর খুচরা বাজারে মাংস, ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম স্থিতিশীল থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন ধরনের মাছের দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে মাছের সরবরাহ কমে যাওয়াকে এ মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন বিক্রেতারা।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে মানভেদে চিংড়ি মাছ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, ট্যাংরা ৬০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে রূপচাঁদা, শোলের বড় আকার এবং নদীর বেলে মাছ কিনতে কেজিপ্রতি এক হাজার টাকারও বেশি গুনতে হচ্ছে।

মাংস ও ডিমের বাজারে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রায়েরবাজারের মাছ বিক্রেতা ইদ্রিস মিয়া জানান, বৃষ্টির কারণে বাজারে চাষের মাছের সরবরাহ কমে গেছে। ফলে তেলাপিয়া, পাঙাশ, কইসহ কয়েকটি মাছের দাম বেড়েছে।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, নিত্যপণ্যের পাশাপাশি মাছের দাম বাড়ায় পারিবারিক ব্যয় আরও বেড়ে যাচ্ছে। ক্রেতা আক্তারুজ্জামান বলেন, “সব কিছুর দামই বাড়ছে। বৃষ্টির কারণে সবজির দাম যেমন বেড়েছে, তেমনি মাছের দামও বেড়েছে। দাম বাড়লেও তো কিনতেই হবে।”

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মাছের বাজারে মূল্যচাপ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে মাংস, ডিম ও ব্রয়লার মুরগির বাজার আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন