হিংসা-বিদ্বেষ মুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় সেনাপ্রধানের

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৩, ২০২৫; সময়: ৪:০০ pm | 
খবর > জাতীয়

পদ্মাটাইমস ডেস্ক: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, বাংলাদেশে আমরা এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে থাকবে না হিংসা, বিদ্বেষ কিংবা বিভাজন। অহিংসতা, সম্প্রীতি ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার বাণীকে ধারণ করে সবাইকে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র গঠনই আমাদের লক্ষ্য।

রোববার সকালে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে ‘সম্প্রীতি ভবন’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “আমরা সবসময় এ দেশের সব ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ একাত্মতার প্রতীক। এখানে হাজার হাজার বছর ধরে সব ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষ পরস্পরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। আজকের এই আয়োজন তারই প্রতিফলন।”

জেনারেল ওয়াকার অনুষ্ঠানটিকে শুধু একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নয়, বরং একটি ‘সম্প্রীতির সমাবেশ’ বলে অভিহিত করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য, যা সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহনশীলতার উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, গৌতম বুদ্ধের বাণী-অহিংসা, সম্প্রীতি ও মানবতার শিক্ষা আজকের সময়েও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের জন্য সমানভাবে একটি নিরাপদ আবাসভূমি। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সবার জন্য এই দেশ। এই ভাবনা থেকেই আমরা সহাবস্থানের চর্চা করি, আর ভবিষ্যতেও করব।”

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, “সেখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য যা কিছু করা দরকার, আমরা তা করতে প্রস্তুত। শুধু পাহাড় নয়, সারা দেশের প্রতিটি সম্প্রদায়ের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব এবং অঙ্গীকার।”

সেনাপ্রধান আরও বলেন, “আমরা চাই বাংলাদেশ হোক এক শান্তির দেশ, শৃঙ্খলার দেশ-যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি নিয়ে সম্মানের সঙ্গে বসবাস করতে পারে।”

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন