প্রাথমিকে শিগগিরই বড় নিয়োগ আসছে

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৫; সময়: ১১:০৬ am | 
খবর > চাকরি

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য বড় পরিসরের একটি বিজ্ঞপ্তি খুব শিগগিরই প্রকাশ করতে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৪০ হাজার নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৮ হাজার ৪৩টি সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৩০ হাজার সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এই পদোন্নতির ফলে নতুন করে আরও বড় সংখ্যায় শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজন দেখা দেবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, শিক্ষকের পদ শূন্য থাকা শিক্ষার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত একটি মামলা বিচারাধীন থাকলেও, সেই জটিলতা কাটিয়ে এবং **নতুন নিয়োগ বিধিমালা** কার্যকর করে চলতি বছরের মধ্যেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে কাজ চলছে।

নতুন বিধিমালায় কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নারী ও পোষ্য কোটার বাতিলের বিষয়টি প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ সংক্রান্ত নীতিমালা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে। মতামত পাওয়ার পর তা চূড়ান্ত করা হবে।

এর আগে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা চলছিল। ২০০৯ সালের এক মামলার কারণে পদোন্নতি বন্ধ হয়ে যায়, যা ২০১৪ সালে নিষ্পত্তি পেলেও পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় বিষয়টি চলে যায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে। ফলে আবারও পদোন্নতি বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৭ সাল থেকে সহকারী শিক্ষকরা চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।

২০২৩ সালের আগস্টে প্রথমবারের মতো তিনটি উপজেলার শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়া হয়। এরপর আরও কয়েকটি ধাপে ৯৪১ জন শিক্ষক পদোন্নতি পান। তবে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের চাকরিকাল গণনা সংক্রান্ত মামলায় আবারও পদোন্নতি কার্যক্রম স্থগিত হয়।

সবশেষে, এই জটিলতা নিরসনের মাধ্যমে নতুন করে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

 

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন