অনুমোদন পেল পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৪, ২০২৫; সময়: ৮:২৮ pm | 
খবর > জাতীয়

পদ্মাটাইমস ডেস্ক: উপদেষ্টা পরিষদ পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এদিন বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পুলিশ কমিশন গঠন করার অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে। এই কমিশনের প্রধান হবেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক।

এছাড়া সদস্যদের মধ্যে থাকবেন- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কাজ করা এমন গ্রেড ওয়ান বা তার নিচের কোনো সরকারি কর্মকর্তা; অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক গ্রেড ওয়ানের নিচের কোনো অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা; এবং কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, যিনি কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত- এছাড়া মানবাধিকার ও সুশাসন ক্ষেত্রে অন্তত ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক।

পুলিশ কমিশনের মূল উদ্দেশ্য হলো- পুলিশকে জনবান্ধব ও জনমুখী করা। কমিশন সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে এবং পুলিশ যেন প্রভাবমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে, সেই ব্যাপারে সুপারিশ দেবে। এছাড়া কমিশন পুলিশ আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ প্রয়োজনীয়তা, এবং মানবাধিকার সংবেদনশীলতা বৃদ্ধির জন্যও নির্দেশনা প্রদান করবে।

কমিশনের আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকবে। প্রথমত, নাগরিকদের যে কোনো অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর তদন্ত ও নিষ্পত্তি করা। দ্বিতীয়ত, পেশাগত কারণে পুলিশ সদস্যদের যে অভিযোগ থাকে, সেগুলোর নিষ্পত্তি করা।

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশে নির্ধারিত আরও কিছু মূল কাজ হলো- পুলিশ কার্যক্রমে দক্ষতা, শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সুপারিশ প্রদান, নাগরিক অভিযোগ অনুসন্ধান ও সমাধান করা, পুলিশ সদস্যদের সংকট নিরসন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও কল্যাণমূলক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সুপারিশ প্রদান, পুলিশ সংক্রান্ত আইন ও নীতি গবেষণায় সরকারকে পরামর্শ প্রদান।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন