অসহায় বৃদ্ধের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : মাদারীপুর শহরের পানিছত্র এলাকায় রাস্তার পাশে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকা এক বৃদ্ধকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন)। একই সঙ্গে সংবাদটি দেখে তার স্বজনরা খোঁজ পেয়ে হাসপাতালে এসে তাকে পরিবারের কাছে নিয়ে যান।
জানা গেছে, প্রায় ৭০ বছর বয়সী হেমায়েত মোল্লাকে কয়েক দিন ধরে মাদারীপুর পৌরসভার পানিছত্র এলাকায় অসুস্থ ও অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বয়সজনিত দুর্বলতার কারণে তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছিলেন না। স্থানীয় পথচারীরা তাকে খাবার ও পানি দিলেও তার পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
পরে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় যুবক এবং সংবাদকর্মীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বুধবার আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
সংবাদটি দেখে বৃদ্ধের স্বজনরাও তার অবস্থান জানতে পারেন। পরে তারা মাদারীপুর সদর হাসপাতালে এসে তার পরিচয় নিশ্চিত করেন। হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা শ্যামল পান্ডে এবং জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা বি. এম. আসাদুজ্জামানের উপস্থিতিতে হেমায়েত মোল্লাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্বজনরা জানান, হেমায়েত মোল্লার বাড়ি খুলনা জেলার সোয়াডাঙ্গা উপজেলার বানরগাতি আল-আমিন কান্দী এলাকায়। তার ছেলে তারেক হোসেন মোল্লা, ফারুক মোল্লা এবং নাতি মনিরুল ইসলাম হাসপাতালে এসে তাকে বাড়িতে নিয়ে যান।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা শ্যামল পান্ডে বলেন, সংবাদ প্রকাশের পরই বৃদ্ধের স্বজনরা তার খোঁজ পান এবং হাসপাতালে এসে তাকে নিয়ে যান। একই সঙ্গে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছে, যা একটি প্রশংসনীয় মানবিক উদ্যোগ।
জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা বি. এম. আসাদুজ্জামান বলেন, অসহায় এই বৃদ্ধের পাশে যেভাবে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন দাঁড়িয়েছে, তা সমাজের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।
বৃদ্ধের ছেলে তারেক হোসেন মোল্লা বলেন, “আমার বাবার চিকিৎসায় সহযোগিতা করায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বাবাকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করায় সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদেরও ধন্যবাদ জানাই।”




