কেশরহাটে সম্পাদক পদে বিএনপির দুই হেভিওয়েট, জামায়াতের একক প্রার্থীকে ঘিরে আলোচনা

রায়হানুল হক রিফাত: আগামী ২৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট বাজার বণিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের নির্বাচন। নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে বিএনপিপন্থী দুই প্রার্থী ও জামায়াত-সমর্থিত একক প্রার্থীকে ঘিরে বাজারজুড়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। তিন প্রার্থীই ব্যবসায়ী ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।
সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আনারস প্রতীকের মোহাম্মাদ আলী বাচ্চু, আম প্রতীকের মহসিন আলী ও মোরগ প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ।
আনারস প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মাদ আলী বাচ্চু দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীদের পাশে রয়েছেন বলে দাবি করেছেন। তাঁর বড় ভাই ওসমান আলী কেশরহাট বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরিবারের অধিকাংশ সদস্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।
মোহাম্মাদ আলী বাচ্চু বলেন, ‘আমি অতীতেও ব্যবসায়ীদের পাশে ছিলাম। ভবিষ্যতেও ব্যবসায়ীদের সেবা করার লক্ষ্যেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। আশা করি, ব্যবসায়ী ভোটাররা আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করবেন।’
অন্যদিকে, আম প্রতীকের প্রার্থী মহসিন আলীও ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। তাঁর বাবা মুকবুল হোসেন একজন ব্যবসায়ী এবং কেশরহাট পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। বাবার অনুপ্রেরণায় ব্যবসায়ীদের সেবায় কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন মহসিন আলী।
তিনি বলেন, ‘আমি ব্যবসায়ী ভোটারদের ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছি। আশা করি, তারা আম প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করবেন।’
এদিকে, জামায়াত-সমর্থিত কেশরহাট সম্মিলিত ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদের (শরিফ-শাহিন-আজাদ) প্যানেলের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ মোরগ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি সবসময় মানুষের সঙ্গে নম্র আচরণ করার চেষ্টা করি এবং বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। নির্বাচিত হলে ব্যবসায়ীদের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।’
কেশরহাট বাজারের ব্যবসায়ী ভোটাররা জানান, মোহনপুর উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ বাজারে নিরাপদ ব্যবসার পরিবেশ, ব্যবসায়ীদের জানমালের নিরাপত্তা এবং বাজারের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সক্ষম- এমন প্রার্থীকেই তারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চান।
উল্লেখ্য, কেশরহাট বাজার বণিক সমবায় সমিতির এ নির্বাচনে বিভিন্ন পদে মোট ৩১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে তিন প্রার্থীকে ঘিরেই সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে কেশরহাট বাজারে ইতোমধ্যে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ও নির্বাচনী আমেজ।




