জাকসু নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

পদ্মাটাইমস ডেস্ক: দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সবশেষ ১৯৯৩ সালের ২৯ জুলাই এক ছাত্রকে বহিষ্কারকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী-শিক্ষক সংঘর্ষের পর জাকসু ও হল সংসদ বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর থেকে আর কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, ২৯ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত প্রচারণা চলবে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, বামপন্থী সংগঠন এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় শিক্ষার্থীরাও প্রার্থী হয়েছেন।
চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, মোট ১৭৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য অনুমোদন পেয়েছেন। এর মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ১০ জন এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৯ জন।
এ ছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ৩টি নির্বাহী সদস্য পদে ১৬ জন এবং পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্য ৩টি নির্বাহী সদস্য পদে ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ৪৬ জন নারী প্রার্থী এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, যার মধ্যে জিএস পদের জন্য রয়েছেন দুইজন।
এমন উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যেই সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অমর্ত্য রায় হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন।
চলতি সপ্তাহে হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চে রিট আবেদনটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। রিটের শুনানিতে আদালত কী নির্দেশনা দেন, তা নিয়ে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।




