রাজশাহী-৩ আসনে মিলনকে মনোনয়ন দেওয়ায় আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনের নাম ঘোষণার পর উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছেন দলের নেতাকর্মীরা। দীর্ঘদিন মাঠে থাকা এই জনপ্রিয় নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ায় এলাকায় দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের বন্যা।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে মহানগর বিএনপি ও পবা-মোহনপুর উপজেলা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে নগরীর বাটার মোড় থেকে আনন্দ মিছিলটি শুরু হয়ে মালোপাড়া, সোনাদিঘী মোড়, মনি চত্বর, সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট ও গণকপাড়া প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় বাটার মোড়ে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিলে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের এক হাজারেরও বেশি নেতাকর্মী অংশ নেন। পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে শফিকুল হক মিলনের পক্ষে স্লোগানে।
সমাবেশে বক্তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন- রাজশাহী-৩ আসনে ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকে মনোনীত করার জন্য।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু বলেন, “এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন হচ্ছেন ত্যাগী, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতা। তিনি বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের একনিষ্ঠ সৈনিক। তাকে মনোনীত করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জনগণের প্রত্যাশাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেছেন। রাজশাহী-৩ আসনের জনগণ ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, ইনশাআল্লাহ মিলন ভাইকে বিজয়ী করা হবে।”
প্রধান বক্তা ও মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট বলেন, “এ্যাড. শফিকুল হক মিলন পবা-মোহনপুরের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা একজন জননন্দিত নেতা। তাঁর বিগত ৪০ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস রয়েছে। তিনি হঠাৎ করে তৈরি হননি- তিলে তিলে গড়ে উঠেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “রাজশাহী-৩ আসনে কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বিভাজনের রাজনীতি করতে চায়। কিন্তু জনগণ এখন সচেতন- তারা আর প্রতারণায় বিশ্বাস করে না। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে লড়ব, মিলন ভাইয়ের নেতৃত্বেই রাজশাহীতে পরিবর্তনের স্রোত বইবে।”
বক্তারা ধানের শীষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “রাজশাহীর মাটি বিএনপির ঘাঁটি, ধানের শীষের ঘাঁটি। যারা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। রাজশাহীর মাটিতে তাদের ঠাঁই হবে না।”
তারা আরও বলেন, “মিলন শুধু পবা-মোহনপুর নয়, কেন্দ্রীয় বিএনপির রাজনীতিতেও গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় নেতা। যারা রাজশাহীর রাজনীতিতে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে অবস্থান নেওয়া হবে।”
সভাপতিত্ব করেন মতিহার থানা বিএনপির সভাপতি আনসার আলী আনসার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী জেলার সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, মতিহার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, রাজপাড়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকত আলী, যুবদল রাজশাহী জেলার সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেক জামানি সুমন এবং বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন দিলদার।




