শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আয়না ঘরে রাখা হবে: মিলন

প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২৫; সময়: ৬:২৩ pm | 
খবর > রাজনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘদিন পরে বাংলাদশেরমানুষ দুইটি ঈদ ভালভাবে পালন করতে পেরেছে। প্রতিটি ঈদ উৎসব মুখর ছিলো। কুরবানীর ঈদও খুব ভাল হয়েছে। রাজশাহীর পবার হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে বুধবার বিকেলে হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এই কথাগুলো বলেন। তিনি সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে মুল বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন পতিত সরকারের খুনি হাসিনার গত বছরের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পালিয়ে গিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। ভারতে আওয়ামী লীগের অনেক দোসর পালিয়ে আছে। তারা সেখান থেকে আবার বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে।

মিলন আরো আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট অবৈধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এর বাহিওে নেই। আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা এখনো খুনি হাসিনাকে ভুলতে পারেনা। তার বলে এই দেশে ঢুকে পরবে। এভাবে কেন আসবে। এটাতো ফ্যাসিস্ট হাসিরার বাবার দেশ। তার আমলে কারো কোন প্রকার মতামত দেয়া যেতনা, তার বিরুদ্ধে কোন কথা বলা যেতনা। কথা বললেই নির্যাতন করতো। জেলে যেতে হতো বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলে হাসিান আবর স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে আসবেনা। তাকে টেনে হিছওে নিয়ে আসা হবে। এনে তারই তৈরী করা আয়না ঘওে রাখা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মিলন আরো বলেন, মাত্র দশ মাসে আওয়ামীগ ও তার দোসররা হয়রান হয়ে গেছে। কিন্তু বিএনপি দীর্ঘ সতের-আঠারো বছর নির্য়াতন সহ্য করেছে। বাড়িতে ঘুমাতে পারেনিন। পুলিশের ভয়ে আত্মীয়স্বজনরা বাড়িতে থাকতে দেয়নি বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, ৫আগস্টের পওে অনেক নেতাকর্মী বের হয়েছে। তারা বিএনপি নেতাদেও সাথে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু ঐ সকল আওয়ামী দোসরদের থেকে সাবধান থাকার আহ্বানন জানান তিনি। যদি কেউ দলের কথা না শোনে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে দর। সেই মব জাস্টিস কোনভাবে করা যাবেনা বলে উল্লেখ করেন। তিনি। আওয়ামী দোসরদের দেখলেই পুলিশকে খবর দিয়ে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। কিন্তু তার প্রতি কোন অবিচার করা যাবেনা বলে সাবধান করেন তিনি।

তিনি অন্যান্য দলের নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপিকে নিয়ে ভয়নাই। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে জাতীয় সরকার গঠন করবে। সেই সরকারে পতিত সরকার ও তাদের দোসররা বাদে সবাই থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, বিএনপি করতে বুকের পাটা লাগে। ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি জানতো কেউ সরকারী চাকলী পাবেনা। ব্যবসা করতে পারবেনা। এরপরেও তারা দল ছাড়েনি বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই বিএনপিকে আগাশী বছরের ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে সংসদে পাঠনোর জন্য নেতাকর্মীদের মাঠে থাকার আহ্বান জানান তিনি। সেইসাথে ধানের মধ্যে আগাছাগুলো তুলে ছুড়ে ফেলে দেয়ার আহ্বান জানান। সেইসাথে মনোনয়ন যিনিন পাবেন তার হয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন এবং জুলাই-আগস্টে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন।

পবার হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব শাহীন রেজা সান্নান ও পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাইজুল ইসরাম এর সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজপাড়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকত আলী, পবা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, আব্দুস সালাম মাস্টার ও আব্দুল মান্নান মুন্নাফ, মহানগর বিএনপির ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা, ধরুইল ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান কাজিম উদ্দিন কাজিম, হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক মজিবুর রহমান, দারুশা ইউনিয়ন বিএনপি’র ভারপাপ্ত আহ্বায়ক সিহাব উদ্দীন, দামকুড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক এনামুল হক কনক, দর্শনপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব রকিবুল ইসলাম পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা, পবা উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আবু হেনা পবা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফিজসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন