বাবা-মায়ের কবরের পাশে কাঁদা যুবকের পাশে দাঁড়ালেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঈশ্বরদী: পাবনার ঈশ্বরদীতে মানসিক প্রতিবন্ধকতা থাকা এক যুবক সাগর, ক্ষুধার তাড়নায় বাবা-মায়ের কবরের কাছে গিয়ে কাঁদতেন। সম্প্রতি তার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি জানতে পারেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তার নির্দেশে মঙ্গলবার রাতে উপজেলা সদরের আমবাগান এলাকায় দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব সাগরের পাশে গিয়ে তাকে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।
স্থানীয়রা জানান, ২৬ বছর বয়সী সাগর মৃত সুরুজ মিয়ার একমাত্র সন্তান। ছোটবেলা থেকেই মানসিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তিনি পুরোপুরি বাবা-মায়ের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। বাবার মৃত্যু হওয়ার এক মাসের মধ্যে মা মারা যাওয়ায় তার জীবনের সব নিরাপত্তা শেষ হয়ে যায়। এখন পাশে কোনো আপনজন নেই। ক্ষুধার তাড়নায় মাঝে মাঝে সে রাস্তায় ঘোরে; কেউ খাওয়ালে খায়, না খাওয়ালে কবরস্থানে গিয়ে কাঁদে।
বর্তমানে সাগরের থাকার ঘরটি প্রায় ভেঙে পড়া এবং অস্বাস্থ্যকর, যেখানে টয়লেট বা পানির ব্যবস্থা নেই। স্থানীয় কিছু মানুষ যতটুকু সম্ভব সাহায্য করছেন, তবে তার জীবনে কোনো স্থায়ী সমাধান আসছে না।
হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, “এই যুগে একজন মানুষ যদি ক্ষুধার তাড়নায় বাবা-মায়ের কবরের কাছে গিয়ে কাঁদতে হয়, তা মেনে নেওয়া যায় না। খবরটি পেয়ে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহমর্মিতার বার্তা ও সাগরের আজীবন ভরণপোষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদার, সাবেক সদস্য সচিব আজমল হক সুজন, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজমল হোসেন ডাবলু, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহীন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক হিমেল রানা, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রকি, সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুদ্দিন স্বপন এবং জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়নসহ দলের কয়েকজন নেতা-কর্মী।




