সিনহা হত্যা: ছয়জনের যাবজ্জীবন, প্রদীপ ও লিয়াকতের ফাঁসি বহাল

প্রকাশিত: জুন ২, ২০২৫; সময়: ১১:২৩ am | 
খবর > আইন-আদালত

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ছয়জন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশও বহাল রাখা হয়েছে।

সোমবার (২ জুন) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে ২৯ মে মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষ হয় এবং রায় ঘোষণার জন্য ২ জুন দিন ধার্য করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শামীমা দিপ্তী, জসিম সরকার, ব্যারিস্টার সুমাইয়া আজিজ এবং লাবনী আক্তার।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। পাঁচ দিন পর সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস টেকনাফ আদালতে হত্যা মামলা করেন। এরপর র‍্যাব তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয়, যেখানে ঘটনাটিকে “পরিকল্পিত হত্যা” হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও সাগর দেব, এবং মারিশবুনিয়ার মো. নুরুল আমিন, মো. আইয়াজ ও মো. নিজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি সাতজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে এবং দণ্ডিত আসামিরা আপিল করেন। আজকের রায়ের মাধ্যমে উচ্চ আদালতও বিচারিক আদালতের রায় বহাল রাখল।

পদ্মাটাইমস ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন