গোদাগাড়ীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পাকড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মামুন অর রশিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে এবং বিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও মব তৈরির অপচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতিবৃন্দ, পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দ ও স্থানীয় এলাকাবাসী। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বক্তারা জানান, কয়েকদিন আগে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে একটি বিরোধের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নয়নকে প্রধান শিক্ষক মারধর করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। তবে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহারকারী একটি গ্রুপ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির ওপর অবৈধ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। সেই চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তারা প্রধান শিক্ষককে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয় এবং তার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন এবং মানববন্ধনের আয়োজন করা হয় বলে দাবি করেন বক্তারা।
মানববন্ধনে আরও বলা হয়, কয়েকদিন আগে অনুষ্ঠিত অপর একটি মানববন্ধনে দাবি করা হয়েছিল যে মারধরের ঘটনায় শিক্ষার্থী নয়ন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তবে নয়নের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, মারধরের অভিযোগ থাকলেও তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি।
বক্তারা আরও জানান, মঙ্গলবার স্কুল ছুটির পর দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নয়ন প্রধান শিক্ষক মো. মামুন অর রশিদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি তোজাম্মেল সরকার, অভিভাবক কমিটির সভাপতি কাজী আশরাফুল ইসলামসহ অন্যান্য বক্তারা। তারা বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।




